a হাইফেন
b বিস্ময় বোধক চিহ্ন
c প্রশ্নচিহ্ন
d কমা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিস্ময় বোধক চিহ্ন ১. কেন সঠিক: বাক্যে মনের নানা আবেগ যেমন আনন্দ, বিষাদ, ঘৃণা, ভয়, বিস্ময় বা সম্বোধন প্রকাশ করতে বিস্ময়বোধক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এটি সাধারণত বাক্যের শেষে বা আবেগ প্রকাশকারী শব্দের ঠিক পরেই বসে শ্রোতার মনে একই রকম আবেগের সৃষ্টি করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের মধ্যে বিস্ময়বোধক চিহ্ন বা সম্বোধন চিহ্ন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহারের সূচনা করেন এবং বাক্যের ভাব স্পষ্ট করতে এর ভূমিকা অপরিসীম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঃ! কী সুন্দর পাখি। ব্যাখ্যা: এখানে 'বাঃ' শব্দের মাধ্যমে আনন্দ বা উল্লাস প্রকাশ পাওয়ায় এরপরে বিস্ময়বোধক চিহ্ন বসেছে। উদাহরণ ২: ধিক তোমায়, তুমি দেশদ্রোহী! ব্যাখ্যা: এখানে ধিক্কার বা ঘৃণা প্রকাশের জন্য বিস্ময়বোধক চিহ্নের সার্থক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইফেন — দুটি শব্দের সংযোগ বোঝাতে বা সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলোকে যুক্ত করতে হাইফেন বসে, যা আবেগ প্রকাশ করে না। B) বিস্ময় বোধক চিহ্ন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সরাসরি হৃদয়াবেগ প্রকাশের কাজে ব্যবহৃত হয়। C) প্রশ্নচিহ্ন — কোনো কিছু জানতে চাওয়া বা জিজ্ঞাসা মূলক বাক্যের শেষে প্রশ্নচিহ্ন বসে, আবেগ প্রকাশে নয়। D) কমা — বাক্যে অল্প বিরতি বোঝাতে বা একাধিক পদকে আলাদা করতে কমা ব্যবহৃত হয়, আবেগ প্রকাশে এর ব্যবহার নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: মনের ভেতর থেকে যখনই কোনো আবেগ বা বিস্ময় বেরিয়ে আসে, তখনই বিস্ময়বোধক চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়। আবেগ বা আশকারা বুঝলেই বিস্ময়বোধক চিহ্ন বসবে, এই সহজ সূত্রটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিস্ময়বোধক চিহ্নকে সম্বোধন পদ বা আবেগবাচক শব্দের পরেই মূলত বসানো হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই কোন চিহ্ন কোথায় বসে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0