a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c কাজী নজরুল ইসলাম
d সুকান্ত ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী ও দ্রোহের চেতনায় পূর্ণ একটি কবিতার চরণ। - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার কবিতায় মানবমুক্তি এবং সাম্যের জয়গান গাওয়ার পাশাপাশি প্রচলিত অন্যায়ের প্রতিবাদে এই ধরনের শক্তিশালী ও ব্যতিক্রমী চিত্রকল্প ব্যবহার করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাংলা কাব্যজগতে এক নতুন জোয়ার এনেছিলেন। - তার কবিতায় শোষিত মানুষের পক্ষে এবং ধর্মের নামে গোঁড়ামির বিরুদ্ধে এক ধরনের বলিষ্ঠ উচ্চারণ লক্ষ্য করা যায়, যা এই চরণেও প্রতিফলিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বল বীর, বল উন্নত মম শির ব্যাখ্যা: এটি কবির বিদ্রোহী কবিতার বিখ্যাত চরণ, যা আত্মমর্যাদা ও দ্রোহ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরি, আর হাতে রণরূর্য ব্যাখ্যা: এটি প্রলয়উল্লাস কবিতার চরণ, যেখানে প্রেম ও বিপ্লবের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতন ও আধ্যাত্মিক ভাবধারার দর্শনের সঙ্গে এই ধরনের বিদ্রোহী ও তীক্ষ্ণ ভাষার চরণ সাধারণত মেলে না। B) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও মহাকাব্যের প্রবর্তক হলেও তার কাব্যের সুর ও শৈলী নজরুল থেকে আলাদা। D) সুকান্ত ভট্টাচার্য — সুকান্ত ভট্টাচার্য কিশোর ও তরুণদের নিয়ে সাম্যবাদী কবিতা লিখলেও এই নির্দিষ্ট চরণটি তার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বুকে ভগবান এঁকে পদচিহ্ন ফেলার মতো এমন তীব্র ও বিদ্রোহী উচ্চারণ একমাত্র কাজী নজরুল ইসলামের কবিতায় পাওয়া যায়। - পরীক্ষার হলে বিদ্রোহী মেজাজ ও দ্রোহের বাণী দেখলে প্রথমে নজরুলের কথা চিন্তা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের বিখ্যাত কবিতার চরণ তুলে দিয়ে কবির নাম জানতে চাওয়া হয়। - কবির নাম মনে রাখতে তার বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী ধারার কবিতার তালিকা ভালোভাবে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0