a শাহ্ মোহাম্মদ সগীর
b ফকির গরীবুল্লাহ
c সৈয়দ হামজা
d আলাওল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফকির গরীবুল্লাহ ১. কেন সঠিক: পুঁথি সাহিত্য বলতে মধ্যযুগের শেষভাগে এবং আধুনিক যুগের শুরুতে বাংলা লিপিতে রচিত মিশ্র ভাষার কাব্যকে বোঝায়। ফকির গরীবুল্লাহ এই ধারার প্রথম ও সর্বাধিক জনপ্রিয় কবি হিসেবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ফকির গরীবুল্লাহ আঠারো শতকের মধ্যভাগে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মূলত পুঁথি সাহিত্যের ধারা শুরু করেন এবং তাঁর বিখ্যাত রচনা আমীর হামজা ও সোনাভান মধ্যযুগের সমাজে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমীর হামজা ব্যাখ্যা: এটি ফকির গরীবুল্লাহর একটি বিখ্যাত পুঁথি সাহিত্য যা পারস্যের বীরের কাহিনী অবলম্বনে রচিত। উদাহরণ ২: সোনাভান ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি জনপ্রিয় পুঁথি কাব্য যেখানে যুদ্ধ ও বীরত্বের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শাহ্ মোহাম্মদ সগীর — ইনি পুঁথি সাহিত্যের কবি নন, বরং প্রাচীন বা মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ইউসুফ জোলেখা কাব্যের আদি কবি। B) ফকির গরীবুল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) সৈয়দ হামজা — ইনি পুঁথি সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি হলেও ফকির গরীবুল্লাহর পরে আবির্ভূত হয়েছিলেন এবং আমীর হামজার অসমাপ্ত অংশ সম্পন্ন করেছিলেন। D) আলাওল — ইনি মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার শ্রেষ্ঠ কবি এবং পদ্মাবতী তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য। ৫ মনে রাখার টিপস: পুঁথি সাহিত্যের প্রথম কবি কে জানতে চাইলে মনে রাখবে গরিব মানুষের হাতেই পুঁথির সূচনা হয়েছিল, তাই উত্তর ফকির গরীবুল্লাহ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পুঁথি সাহিত্যের আদি কবি হিসেবে ফকির গরীবুল্লাহর নাম প্রায়ই আসে। একই সঙ্গে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের আদি কবি শাহ্ মোহাম্মদ সগীর—এই দুটি তথ্য গুলিয়ে ফেলা যাবে না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0