a বীরবলের হালখাতা
b রায়তের কথা
c তেল নুন লাকড়ী
d নারী মূল্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বীরবলের হালখাতা ১. কেন সঠিক: - বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত বা প্রমিত রীতির প্রবর্তন করেন এবং তাঁর বীরবলের হালখাতা গ্রন্থটি চলিত ভাষায় রচিত প্রথম প্রবন্ধ গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত। - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবন্ধ ধারার প্রবক্তা এবং সবুজপত্র পত্রিকার মাধ্যমে চলিত ভাষার আন্দোলন সফল করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ১৮৬৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর বিখ্যাত ছদ্মনাম ছিল বীরবল। - তাঁর সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তেল নুন লাকড়ী ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর আরেকটি বিখ্যাত চলিত ভাষায় রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে প্রমথ চৌধুরী চলিত ভাষার সাবলীল ও মার্জিত রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরবলের হালখাতা — এটি প্রমথ চৌধুরীর চলিত ভাষায় রচিত প্রথম প্রবন্ধ গ্রন্থ এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) রায়তের কথা — এটি প্রমথ চৌধুরীর একটি সমাজসচেতনতামূলক গ্রন্থ তবে এটি প্রথম চলিত ভাষার গ্রন্থ নয়। C) তেল নুন লাকড়ী — এটি প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ হলেও এটি প্রথম গ্রন্থ নয়। D) নারী মূল্য — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ এবং প্রমথ চৌধুরীর গ্রন্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এবং তাঁর প্রথম প্রবন্ধ গ্রন্থ বীরবলের হালখাতা চলিত ভাষার প্রথম গ্রন্থ। - সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদকের নাম মনে রাখলে চলিত ভাষার প্রবক্তা সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই চলিত রীতির প্রবর্তক বা প্রথম গ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0