a শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের
b অন্নদামঙ্গল কাব্যের
c মনসামঙ্গল কাব্যের
d চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অন্নদামঙ্গল কাব্যের ১. কেন সঠিক: - 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে' বিখ্যাত এই প্রার্থনা মূলক উক্তিটি ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত অন্নদামঙ্গল কাব্যের অন্তর্গত। - কাব্যের ঈশ্বরী পাটুনীর অন্নপূর্ণার কাছে করা এই সাধারণ অথচ চিরন্তন প্রার্থনা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত অমর ও জনপ্রিয় হয়ে আছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর অষ্টাদশ শতকের মঙ্গলকাব্যের শেষ যুগের শ্রেষ্ঠ কবি এবং কৃষ্ণনগর রাজসভার কবি ছিলেন। - রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের অনুরোধেই তিনি এই কাব্য রচনা করেন এবং রাজসভায় রায়গুণাকর উপাধিতে ভূষিত হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য তিনটি অংশে বিভক্ত, যার প্রথম ভাগ অন্নদামঙ্গল, দ্বিতীয় ভাগ বিদ্যাসুন্দর এবং তৃতীয় ভাগ মানসিংহ বা ভবানন্দ প্রসঙ্গ। ব্যাখ্যা: এটি কবির সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এবং মঙ্গলকাব্যের ধারার শেষ উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের জন্ম বর্ধমান জেলার পেণ্ডড় বা ভুরশুট অঞ্চলের পারুলিয়া গ্রামে। ব্যাখ্যা: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির জন্মস্থান এবং উপাধি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের — এই কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক নাটকীয় গীতি কাব্য। C) মনসামঙ্গল কাব্যের — এই মঙ্গলকাব্যটি সর্পদেবী মনসার পূজা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত এবং এর প্রধান কবি কানাহ হরি দত্ত ও বিজয় গুপ্ত। D) চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের — এই মঙ্গলকাব্যটি দেবী চণ্ডীর মহিমা প্রচারের জন্য রচিত এবং এর বিখ্যাত কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী বা দ্বিজ মাধব। ৫ মনে রাখার টিপস: - দুধে-ভাতে থাকার প্রার্থনা করেছিলেন ঈশ্বরী পাটুনী এবং তা লিখেছিলেন ভারতচন্দ্র। - ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় পঙক্তি এটি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর এবং তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য অন্নদামঙ্গল। - মঙ্গলকাব্যের সাধারণ বৈশিষ্ট্য এবং বিখ্যাত চরিত্রগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0