a ১৮০০ সালে
b ১৮০১ সালে
c ১৮০৫ সালে
d ১৮১৫ সালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮০১ সালে ১. কেন সঠিক: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮০০ সালের চৌঠা মে, তবে এর বাংলা বিভাগ চালু হয় পরের বছর অর্থাৎ ১৮০১ সালে। - এই বিভাগে দেশীয় ভাষা শেখানোর জন্য নিযুক্ত পন্ডিতদের হাত ধরেই আধুনিক বাংলা গদ্য সাহিত্যের মূল ভিত্তি রচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার এবং প্রধান শিক্ষক ছিলেন উইলিয়াম কেরি। - বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে এই কলেজের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এখান থেকেই পাঠ্যপুস্তক রচনার কাজ শুরু হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরির কথোপকথন গ্রন্থটি ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের সূচনালগ্নের একটি অন্যতম প্রধান প্রকাশনা। উদাহরণ ২: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের বাতত্রিশ সিংহাসন গ্রন্থটি ১৮০২ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি কলেজের পাঠ্যতালিকাভুক্ত এবং বাংলা গদ্যের আদি রূপের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮০০ সালে — এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠার সাল, বাংলা বিভাগ খোলার সাল নয়। B) ১৮০১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলা বিভাগ চালু করা হয়। C) ১৮০৫ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের রাজকীয় অনুমোদন ও কার্যক্রম আরও বিস্তার লাভ করে, বিভাগ চালুর সাল এটি নয়। D) ১৮১৫ সালে — এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ইতিহাসের সঙ্গে বাংলা বিভাগ চালুর ক্ষেত্রে সরাসরি সম্পৃক্ত কোনো সাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কলেজ প্রতিষ্ঠা ১৮০০ সালে আর তার ঠিক এক বছর পর ১৮০১ সালে বাংলা বিভাগ খোলা হয়। - প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এক বছর বাদ দিয়ে পরের বছর বিভাগ চালুর সাল মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠা এবং বাংলা বিভাগ চালুর সাল প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - উইলিয়াম কেরি এবং মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের নাম ও তাদের গ্রন্থগুলো এই টপিকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0