a কলকাতায়
b ঢাকায়
c ভূটানে
d নেপালে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নেপালে ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়েছে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্যিক নিদর্শন। এটি মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। ব্যাখ্যা: তিনি ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। উদাহরণ ২: চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িত হলেন লুইপা। ব্যাখ্যা: চর্যাপদে মোট পদ সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর প্রথম পদটি লুইপার রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলকাতায় — কলকাতা থেকে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি, এটি নেপাল থেকে আবিষ্কৃত হয়েছিল। B) ঢাকায় — ঢাকা প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের পুথি আবিষ্কারের স্থান নয়, এটি নেপাল থেকে উদ্ধার করা হয়। C) ভূটানে — ভূটান থেকে বাংলা সাহিত্যের কোনো প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া যায়নি। D) নেপালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ নেপালের রাজদরবার থেকেই চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করা হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: নেপাল থেকে নেপালি ভাষায় নয়, বরং প্রাচীন বাংলার নিদর্শন চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়েছিল। এভাবে মনে রাখতে পারেন যে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল ভ্রমণ করে চর্যাপদ এনেছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ আবিষ্কারের স্থান ও সাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চর্যাপদ কোন যুগে রচিত এবং এর আবিষ্কারক কে, তা বারবার বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0