a অর্থনৈতিক উন্নয়ন
b অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক উন্নয়ন
c সামাজিক উন্নয়ন
d সবগুলোই
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক উন্নয়ন ১. কেন সঠিক: সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক উন্নয়ন উভয়ই সমভাবে অপরিহার্য। অর্থনৈতিক উন্নয়ন মানুষের জীবনযাত্রার মান বাড়ায় এবং সামাজিক উন্নয়ন সমাজে সমতা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সুশাসন ও জবাবদিহি এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা অংশগ্রহণ, আইনের শাসন ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করে। প্রয়োগ: রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি হাসপাতালে সঠিক সেবা প্রদান। ব্যাখ্যা: এটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের একটি যৌথ ফল যা সুশাসন নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: এলাকার প্রতিটি শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা। ব্যাখ্যা: এটি সামাজিক উন্নয়নের অংশ যা সুশাসনের পথ সুগম করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থনৈতিক উন্নয়ন — এটি সুশাসনের অন্যতম শর্ত হলেও একমাত্র শর্ত নয়, তাই এটি অসম্পূর্ণ। B) অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক উন্নয়ন — এটি সঠিক কারণ সুশাসনের জন্য উভয় উন্নয়নই অপরিহার্য। C) সামাজিক উন্নয়ন — এটিও আংশিক কারণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ছাড়া সুশাসন টেকসই হয় না। D) সবগুলোই — ভুল অপশন রয়েছে বিধ D সঠিক হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন। সুশাসন মানে কেবল টাকা-পয়সা নয়, মানুষের মৌলিক অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারও এর অন্তর্ভুক্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সুশাসনের মূল স্তম্ভ হলো অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি। একই নীতি থেকে সুশাসনের উপাদান বা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a মানুষের আচরণের মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা প্রদান
b মানুষের জীবনের সফলতার দিকগুলাে আলােচনা
c সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণ ব্যাখ্যা
d সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের আলােচনা ও মূল্যায়ন
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের আলােচনা ও মূল্যায়ন ১. কেন সঠিক: - নীতিবিদ্যা মূলত মানুষের আচরণের ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত এবং ন্যায়-অন্যায় দিকগুলো নিয়ে আলোচনা ও মূল্যায়ন করে। এটি কেবল মানুষের কাজ কেমন তা দেখে ক্ষান্ত হয় না, বরং তা নৈতিক মাপকাঠিতে কতটা গ্রহণযোগ্য তার বিচার করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: নীতিবিদ্যা হলো দর্শনের একটি শাখা যা মানুষের নৈতিক আচরণ ও মূল্যবোধের মানদণ্ড নির্ধারণ করে। - গুরুত্ব: এটি সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং মানুষকে সঠিক ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য করতে সহায়তা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: কর্মক্ষেত্রে কোনো সহকর্মীকে অন্যায়ভাবে সুবিধা না দিয়ে নিয়মের মধ্যে থেকে সেবা প্রদান করা। ব্যাখ্যা: এটি নীতিবিদ্যার মূল্যায়নের অংশ, যেখানে সততা ও কর্তব্যের যথাযথ প্রয়োগ ঘটে। উদাহরণ ২: রাস্তা কুড়িয়ে পাওয়া টাকা প্রকৃত মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি মানুষের আচরণকে নৈতিকভাবে মূল্যায়ন করার একটি বাস্তব বহিঃপ্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানুষের আচরণের মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা প্রদান — এটি মনোবিজ্ঞানের কাজ, নীতিবিদ্যার নয় কারণ নীতিবিদ্যা মূল্যায়ন করে আর মনোবিজ্ঞান প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে। B) মানুষের জীবনের সফলতার দিকগুলাে আলােচনা — এটি ক্যারিয়ার বিষয়ক আলোচনা, যা নৈতিকতার পরিমাপক বা মূল আলোচ্য বিষয় নয়। C) সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণ ব্যাখ্যা — এটি সমাজবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়, যা কেবল ঘটনা বর্ণনা করে কিন্তু নৈতিক মূল্যায়ন করে না। D) সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের আলােচনা ও মূল্যায়ন — এটি নীতিবিদ্যার সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ পরিধি নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - নীতিবিদ্যা মানেই হলো আচরণ নিয়ে আলোচনা এবং তা ভালো কি মন্দ তার মূল্যায়ন করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নীতিবিদ্যার মূল কাজ হলো আচরণের নৈতিক মূল্যায়ন করা। এই ধারণা থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড
b শুধুমাত্র মানুষের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যাদি নির্ধারণের দিক নির্দেশনা
c সমাজ জীবনে মানুষের সুখী হওয়ার প্রয়ােজনীয় মনােভাব
d মানুষের সঙ্গে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ
0 162 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড ১. কেন সঠিক: সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো মূল্যবোধ মানুষের ভেতরের নৈতিক চেতনাকে জাগায় এবং তার দৈনন্দিন বাহ্যিক আচরণকে সঠিক পথে পরিচালনা করে। সংশ্লিষ্ট নৈতিক নীতি বা মূল্যবোধের পরিচয় হলো এটি সমাজের এমন কিছু আদর্শ বা মানদণ্ড, যা মানুষকে ভালো ও মন্দের পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: মূল্যবোধ হলো সমাজের মানুষের দ্বারা গৃহীত কিছু বিশ্বাস, আদর্শ ও মানদণ্ড, যা মানুষের আচরণ ও জীবনযাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে। গুরুত্ব: এটি সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে, পারস্পরিক আস্থা তৈরি করতে এবং মানুষের নৈতিক চরিত্র গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রয়োগ: বাস্তব জীবনে সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও দায়িত্ববোধের চর্চার মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও সামাজিক মূল্যবোধের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা সম্ভব। সম্ভাব্য প্রভাব: সঠিক মূল্যবোধের চর্চা সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমায় এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও মানবিক সমাজ গঠনে সহায়তা করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া মানি ব্যাগ প্রকৃত মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া। ব্যাখ্যা: এটি সততা ও নৈতিক মূল্যবোধের প্রয়োগ, যা মানুষকে লোভ সংবরণ করে সঠিক ও ন্যায়সংগত আচরণ করতে শেখায়। উদাহরণ ২: চাকরির ইন্টারভিউতে স্বজনপ্রীতি না করে যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করা। ব্যাখ্যা: এটি নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচারের মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ, যা প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড — এটি সঠিক কারণ মূল্যবোধ মানুষের সামগ্রিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালিত করে। B) শুধুমাত্র মানুষের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যাদি নির্ধারণের দিক নির্দেশনা — এই অপশনটি ভুল কারণ মূল্যবোধ কেবল প্রাতিষ্ঠানিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনের সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) সমাজ জীবনে মানুষের সুখী হওয়ার প্রয়ােজনীয় মনােভাব — এটি ভুল কারণ মূল্যবোধ কেবল সুখের মানসিকতা নয়, এটি মানুষের কর্তব্য, দায়িত্ব ও নৈতিক আদর্শের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। D) মানুষের সঙ্গে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ — এটি আংশিক সত্য হলেও সংকীর্ণ, কারণ মূল্যবোধ শুধু সম্পর্কের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না থেকে মানুষের সার্বিক জীবনদর্শন ও আচরণকে নির্ধারণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: মূল্যবোধ মানেই হলো মানুষের ভেতরের ভালো নীতি যা তার বাহ্যিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে। পরীক্ষায় মূল্যবোধসংক্রান্ত প্রশ্ন আসলে খেয়াল করবে কোনটি মানুষের সামগ্রিক আচরণ ও আদর্শের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সম্পর্কিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মূল্যবোধ ব্যক্তির আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সমাজকে সুসংহত রাখে। একই নীতি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সামাজিক মূল্যবোধ এবং আইনগত মূল্যবোধের পার্থক্যের ওপর প্রশ্ন আসতে পারে।
a আইনের শাসন
b নৈতিকতা
c সাম্য
d উপরের সবগুলাে
0 123 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলাে ১. কেন সঠিক: সামাজিক মূল্যবোধ হলো সমাজের মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক, আচার-আচরণ এবং জীবনযাত্রাকে পরিচালিত করার নৈতিক মানদণ্ড। একটি সুস্থ ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে একক কোনো উপাদানের ওপর নির্ভর করা যায় না, বরং একাধিক মৌলিক স্তম্ভ সম্মিলিতভাবে সামাজিক মূল্যবোধকে ভিত্তি প্রদান করে। এখানে আইনের শাসন, নৈতিকতা এবং সাম্য - এই তিনটি উপাদানই পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। এই সম্মিলিত উপাদানগুলোই সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে এবং মানুষের পারস্পরিক বিশ্বাস ও শৃঙ্খলার ভিত মজবুত করে তোলে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: মূল ধারণা: সামাজিক মূল্যবোধ হলো সমাজের দীর্ঘকাল ধরে গড়ে ওঠা আদর্শ, বিশ্বাস এবং আচরণের সমষ্টি যা মানুষকে ভালো-মন্দের তফাত বুঝতে শেখায়। গুরুত্ব: এটি সমাজে বিশৃঙ্খলা রোধ করে, পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখে এবং নাগরিকদের দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল হতে উদ্বুদ্ধ করে। প্রয়োগ: সমাজে সবার অধিকার সমানভাবে রক্ষা করা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে নৈতিক অবস্থান নেওয়ার মাধ্যমে এর প্রয়োগ ঘটে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাস্তায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং লাইনে দাঁড়িয়ে সেবা গ্রহণ করা। ব্যাখ্যা: এটি আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং অন্য নাগরিকের অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যা সামাজিক মূল্যবোধের অংশ। উদাহরণ ২: কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর ধর্ম, বর্ণ বা লিঙ্গ বিবেচনা না করে সমান সুযোগ প্রদান করা। ব্যাখ্যা: এটি সাম্য এবং নৈতিকতার বাস্তব প্রয়োগ, যা সমাজে পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ তৈরি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইনের শাসন — এটি সামাজিক মূল্যবোধের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলেও কেবল এককভাবে তা সম্পূর্ণ সামাজিক মূল্যবোধ গঠন করতে পারে না। B) নৈতিকতা — নৈতিকতা ব্যক্তিগত ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রাণকেন্দ্র হলেও একা এটি সমাজের কাঠামোগত সমতা বা আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে না। C) সাম্য — সমাজে বৈষম্য দূর করতে সাম্য অপরিহার্য, তবে আইনের শাসন ও নৈতিকতা ছাড়া একা সাম্য সমাজকে শৃঙ্খলিত রাখতে পারে না। D) উপরের সবগুলাে — আইনের শাসন, নৈতিকতা এবং সাম্য - এই তিনটি উপাদান মিলে সামাজিক মূল্যবোধের পূর্ণাঙ্গ ভিত্তি তৈরি করে, তাই এটি সঠিক। ৫. মনে রাখার টিপস: সামাজিক মূল্যবোধ একটি বহুস্তর বিশিষ্ট ধারণা যেখানে একক কোনো নীতি কাজ করে না। তাই প্রশ্নটিতে যখন আইনের শাসন, নৈতিকতা এবং সাম্য পৃথকভাবে অপশনে থাকে, তখন সেগুলোর সম্মিলিত রূপটিই সঠিক উত্তর হিসেবে বেছে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তি সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোতে প্রায়ই একাধিক সঠিক উপাদান একসঙ্গে থাকে। তাই একক কোনো অপশন না বেছে সামগ্রিক উপাদানগুলো বিবেচনা করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে। একই নীতি থেকে সুশাসন ও নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কিত প্রশ্নও পরীক্ষায় আসতে পারে।
a মত প্রকাশের স্বাধীনতা
b প্রশাসনের নিরপেক্ষতা
c নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা
d নিরপেক্ষ আইন ব্যবস্থা
0 125 0 0
a ধারা ৭
b ধারা ৩৭
c ধারা ২৭
d ধারা ৪৭
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধারা ২৭ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং সমাসীনতার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। - সংশ্লিষ্ট নৈতিক নীতি বা মূল্যবোধ হলো ন্যায়বিচার, সাম্য এবং মানবাধিকার, যা গণতন্ত্র ও সুশাসনের ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে কাজ করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: আইনের চোখে সব নাগরিক সমান বলতে বোঝায় ধনী-গরিব, ক্ষমতাশালী বা সাধারণ নাগরিক নির্বিশেষে আইনের প্রয়োগ সবার জন্য সমান হবে। - গুরুত্ব: এটি সমাজে বৈষম্য দূর করে, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে এবং নাগরিকদের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরি করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: সরকারি অফিসে সেবা নেওয়ার সময় কোনো সুপারিশ বা ঘুষ না দিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে স্বাভাবিক নিয়মে সেবা গ্রহণ করা। ব্যাখ্যা: এটি আইনের শাসন এবং সবার জন্য সমান সুযোগ বা সাম্যের নীতির বাস্তব প্রয়োগ। উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বা কর্মক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা এবং আত্মীয়করণের ঊর্ধ্বে থেকে সবার প্রতি সমান আচরণ করা। ব্যাখ্যা: এটি পক্ষপাতহীন মনোভাব এবং নৈতিক মূল্যবোধের সঠিক চর্চা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধারা ৭ — এটি সংবিধানের প্রাধান্য এবং প্রজাতন্ত্রের মালিকানা জনগণের মর্মে ঘোষণা করে, যা আইনের সমতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) ধারা ৩৭ — এটি জনসমাবেশ ও শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণের স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করে, যা সমতার অধিকারের আওতাভুক্ত নয়। D) ধারা ৪৭ — এটি নির্দিষ্ট কিছু আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সংবিধানের কিছু বিধানের প্রয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ সম্পর্কিত, যা সমতা নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংবিধানে মৌলিক অধিকার শুরু হয় ছাব্বিশ ধারা থেকে এবং ২৭ ধারায় বলা হয়েছে আইনের চোখে সবাই সমান, তাই ২৭ মানে সবার জন্য সমান সুযোগ। - সাম্য এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মূল চাবিকাঠি হলো সংবিধানের এই ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আইনের শাসন এবং সমতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সংবিধানের এই ধারাটি বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - একই নীতি থেকে সংবিধানে প্রদত্ত অন্যান্য মৌলিক অধিকার যেমন বাকস্বাধীনতা বা চলাচলের স্বাধীনতার ধারা সংক্রান্ত প্রশ্নও আসতে পারে।
a জাতিসংঘ
b বিশ্বব্যাংক
c এউ এন.ডি.পি
d আই.এম.এফ
0 204 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিশ্বব্যাংক ১. কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক ১৯৮৯ সালে তাদের একটি প্রতিবেদনে আফ্রিকাস ডেভেলপমেন্ট ক্রাইসিস ইন এ ক্রিটিক্যাল পার্সপেক্টিভ শীর্ষক দলিলে প্রথম সুশাসন বা গুড গভর্ন্যান্স শব্দটি ব্যবহার করে এবং এর সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে। - সুশাসন বলতে এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে বোঝায় যা জনগণের উন্নয়ন, আইনের শাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি নিশ্চিত করে। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো রাষ্ট্র পরিচালনার এমন একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়া যেখানে জনগণের অধিকার ও আইনের শাসন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়। - গুরুত্ব: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া দুর্নীতি রোধ, সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং সমাজের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। - প্রয়োগ: সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানি দায়িত্ব পালনের সময় স্বজনপ্রীতি পরিহার করে মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন করতে হবে। - সম্ভাব্য প্রভাব: সুশাসন নিশ্চিত হলে জনসেবায় স্বচ্ছতা বাড়ে এবং সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রের প্রতি আস্থাশীল হয়। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: উদাহরণ ১: একজন সরকারি কর্মকর্তা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো প্রভাব না খাটিয়ে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিলেন। ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের মূলনীতি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার বাস্তব প্রয়োগ, যা প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা বাড়ায়। উদাহরণ ২: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো অনুদান আসার পর কর্তৃপক্ষ যদি নির্দিষ্ট বোর্ডে তার হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করে। ব্যাখ্যা: এটি জবাবদিহি ও সততার উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যা অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাতিসংঘ — জাতিসংঘ মানবাধিকার ও সার্বিক উন্নয়নে কাজ করলেও সুশাসন শব্দটি প্রথম সংজ্ঞায়িত ও প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। B) বিশ্বব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৮৯ সালের প্রতিবেদনে তারা সর্বপ্রথম সুশাসনের ধারণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাখ্যা করে। C) এউ এন.ডি.পি — জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি পরবর্তীতে সুশাসনের উপাদান যেমন অংশগ্রহণ ও জবাবদিহি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছে, তবে সূচনাকারী সংস্থা বিশ্বব্যাংক। D) আই.এম.এফ — আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল মূলত বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা ও ঋণ প্রদান নিয়ে কাজ করে, সুশাসনের প্রথম ব্যাখ্যাদাতা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিশ্বব্যাংক হলো অর্থনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক উন্নয়নের রূপকার, তাই সুশাসনের ধারণাটি প্রথম তারাই দিয়েছে এটি মনে রাখতে হবে। - সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসন প্রতিষ্ঠার মূল শর্ত হলো দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। - একই নীতি থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে সুশাসনের প্রধান উপাদান কয়টি বা কোন সংস্থা সুশাসনের উপাদান নির্ধারণ করেছে।
a সামাজিক অবক্ষয়ের
b মূল্যবোধ অবক্ষয়ের
c সুশাসনের
d শিক্ষার গুণগতমানের
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুশাসনের ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো সংবাদমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করে এবং সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে। - সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান শর্ত হলো তথ্য অধিকার, স্বচ্ছতা এবং সরকারের কাজের জবাবদিহি, যা একটি নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী গণমাধ্যম ছাড়া অর্জন করা সম্ভব নয়। ২. নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ: - মূল ধারণা: সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা অংশগ্রহণমূলক, consensus-oriented বা ঐকমত্যভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল, কার্যকর এবং আইনের শাসন দ্বারা পরিচালিত। - গুরুত্ব: সুশাসন দুর্নীতি হ্রাস করে, নাগরিক অধিকার সুরক্ষা করে এবং দেশের টেকসই উন্নয়নে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে। ৩. বাস্তব জীবনের উদাহরণ: - উদাহরণ ১: কোনো সরকারি সংস্থায় দুর্নীতির সংবাদ সাহসিকতার সঙ্গে প্রকাশ করা এবং এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে শাস্তির আওতায় আনতে বাধ্য করা। - ব্যাখ্যা: এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সুশাসনের জবাবদিহি নীতির বাস্তব প্রয়োগ, যা রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে। - উদাহরণ ২: নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের মতামত ও সমস্যা গণমাধ্যমে তুলে ধরা যাতে নীতিনির্ধারকরা জনকল্যাণমূলক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। - ব্যাখ্যা: এটি সুশাসনের অংশগ্রহণমূলক এবং স্বচ্ছতা নীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সামাজিক অবক্ষয়ের — সামাজিক অবক্ষয় মূলত নৈতিক মূল্যবোধের পতন, পারিবারিক শিক্ষার অভাব এবং সংস্কৃতির সংকটের সঙ্গে যুক্ত, যা সুশাসনের মতো সরাসরি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) মূল্যবোধ অবক্ষয়ের — মূল্যবোধ অবক্ষয় হলো মানুষের নৈতিক বিচারবুদ্ধি ও সততার হ্রাস পাওয়ার ফল, যা মূলত সামাজিকীকরণ ও পারিবারিক শিক্ষার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। D) শিক্ষার গুণগতমানের — শিক্ষার গুণগতমান নির্ভর করে উপযুক্ত শিক্ষক নিয়োগ, আধুনিক পাঠ্যক্রম এবং প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামোর ওপর, যা সরাসরি গণমাধ্যমের কাঠামোর অধীন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গণমাধ্যম শব্দটির সঙ্গে সুশাসনের জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা কথাটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। - পরীক্ষার প্রশ্নে গণমাধ্যম দেখলেই সুশাসন বা গণতন্ত্রের কার্যকারিতা বিকল্প হিসেবে খোঁজা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সুশাসনের মূল উপাদানগুলো যেমন স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের শাসন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - এই নীতি থেকে ব্যাংক বা বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন পরিস্থিতিভিত্তিক প্রশ্ন আসতে পারে।