a কর্মকারকে পঞ্চমী
b করণ কারকে সপ্তমী
c কর্তাকারকে দ্বিতীয়া
d অধিকরণে পঞ্চমী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে পঞ্চমী ১. কেন সঠিক: বাড়ি থেকে নদী দেখা যায় বাক্যে বাড়ি হলো স্থান এবং নদী দেখা যাওয়ার উৎস বা অবস্থান নির্দেশ করছে। কোনো স্থান থেকে কিছু উৎপন্ন, বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, বিরত, দূরীভূত বা রক্ষিত হলে অপাদান কারক হয় এবং স্থান বা সময়ের আধার বোঝালে অধিকরণ কারক হয়। এখানে বাড়ি থেকে নদী দেখা যায় বাক্যে বাড়ি একটি নির্দিষ্ট স্থান বা আধার বোঝায় এবং বাড়ি হতে বা থেকে অর্থে পঞ্চমী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে। অধিকরণ কারক সাধারণত তিন প্রকার যথা স্থানাধিকরণ, কালাধিকরণ ও ভাবাধিকরণ। শব্দের শেষে হতে, থেকে, চেয়ে অনুসর্গ যুক্ত হলে বা এদের ব্যবহার থাকলে সাধারণত পঞ্চমী বিভক্তি ধরা হয়। বাড়ি শব্দটির সঙ্গে হতে বা থেকে অনুসর্গ লুকায়িত বা প্রকাশিত থাকায় এটি অধিকরণ কারক এবং পঞ্চমী বিভক্তি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছাদ থেকে বৃষ্টি পড়ে। ব্যাখ্যা: ছাদ একটি স্থান এবং সেখান থেকে বৃষ্টি পড়ছে যা অধিকরণে পঞ্চমী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হচ্ছে যা স্থানবাচক অর্থে অধিকরণে পঞ্চমী বিভক্তির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মকারকে পঞ্চমী — কর্মকারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে এবং এখানে কর্মের কোনো ব্যাপার নেই। B) করণ কারকের সপ্তমী — করণ হলো যার দ্বারা ক্রিয়া সাধিত হয় এবং এখানে কোনো উপকরণের কথা বলা হয়নি। C) কর্তাকারকে দ্বিতীয়া — কর্তা নিজেই কাজ করে এবং এখানে দ্বিতীয়া বিভক্তির কোনো প্রয়োগ নেই। D) অধিকরণে পঞ্চমী — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাড়ি একটি স্থান বা আধার এবং তার সঙ্গে পঞ্চমী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: স্থান বা আধার বুঝিয়ে যদি তার সঙ্গে হতে বা থেকে অনুসর্গ থাকে তবে চোখ বন্ধ করে অধিকরণে পঞ্চমী কারক দাগাবে। কোনো কিছু উৎপন্ন বা বিচ্যুত হলে অপাদান হয় কিন্তু দৃশ্যমানতা বা আধার বোঝালে অধিকরণ কারক হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাক্যটি প্রায়ই আসে এবং শিক্ষার্থীরা ভুল করে একে অপাদান কারক ভেবে ভুল করে। মনে রাখবে দেখার বিষয় বা আধার বোঝালে তা অধিকরণ কারক হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0