a কর্তায় শূন্য
b অধিকরণে দ্বিতীয়
c কর্মে প্রথমা
d অপাদানে পঞ্চমী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মে প্রথমা ১. কেন সঠিক: বাক্যের ক্রিয়াকে কী বা কাগকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্মকারক। 'আমি বই পড়ি' বাক্যে পড়ি ক্রিয়াকে কী পড়ি প্রশ্ন করলে বই উত্তর আসে, তাই বই হলো কর্মকারক। বই শব্দের শেষে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে। প্রথমা বিভক্তি বা শূন্য বিভক্তির নিজস্ব কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন থাকে না। শব্দের মূল রূপ বা প্রাতিপদিকই প্রথমা বিভক্তির রূপ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো। ব্যাখ্যা: ডাকো ক্রিয়াকে কাগকে ডাকো প্রশ্ন করলে ডাক্তার উত্তর আসে, যা কর্মকারকে প্রথমা বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: ভাত খাও। ব্যাখ্যা: খাও ক্রিয়াকে কী খাও প্রশ্ন করলে ভাত উত্তর আসে, যা কর্মকারকে প্রথমা বিভক্তির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় শূন্য — বাক্যটিতে আমি হলো কর্তা, কিন্তু প্রশ্ন করা হয়েছে কোটেশন বা বন্ধনীর ভেতরের শব্দ নিয়ে। B) অধিকরণে দ্বিতীয় — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় বোঝায় এবং দ্বিতীয় বিভক্তি হলো কে বা রে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কর্মে প্রথমা — এটি সঠিক কারণ বই হলো কর্মকারক এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় তা প্রথমা। D) অপাদানে পঞ্চমী — অপাদান কারক থেকে, হতে বা চেয়ে বোঝায় এবং পঞ্চমী বিভক্তি হলো হতে বা থেকে, যা এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: বক্তব্য বা ক্রিয়ার কর্মকে কী বা কাগকে দিয়ে প্রশ্ন করলে কর্মকারক পাওয়া যায়। কর্মপদে কোনো দৃশ্যমান বিভক্তির চিহ্ন না থাকলে তা প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক বের করতে হবে এবং পরে শব্দের রূপ দেখে বিভক্তি নির্ধারণ করতে হবে। শব্দের মূল রূপ অপরিবর্তিত থাকলে তা প্রথমা বিভক্তি হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0