a ১৯১৯ সালে
b ১৯২০ সালে
c ১৯২১ সালে
d ১৯২২ সালে
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯২২ সালে ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা ধূমকেতুর প্রথম প্রকাশের সাল জানতে চাওয়া হয়েছে। ধূমকেতু পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় বাংলা ১৩২৯ সালের ২৬শে শ্রাবণ এবং ইংরেজি ১৯২২ সালের ১২ই আগস্ট। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধূমকেতু পত্রিকার প্রধান পরিচালক ও সম্পাদক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম স্বয়ং। এই পত্রিকার বাণী ও যুগবাণী বিভাগে নজরুলের অনেক বিদ্রোহী লেখা প্রকাশিত হয়েছিল যা তৎকালীন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে বড় ভূমিকা রেখেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাঙল পত্রিকা ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় ১৯২৫ সালে প্রকাশিত আরেকটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সাহিত্য বিষয়ক পত্রিকা। উদাহরণ ২: বিজলি পত্রিকা ব্যাখ্যা: এই পত্রিকায় কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৯ সালে — এই সালে জাল্লাওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল তবে ধূমকেতু পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি। B) ১৯২০ সালে — এই সালে কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম গ্রন্থ ব্যথার দান প্রকাশিত হয়। C) ১৯২১ সালে — এই সালে বিদ্রোহী কবিতা রচিত হয় কিন্তু ধূমকেতু প্রকাশিত হয়নি। D) ১৯২২ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই ধূমকেতু পত্রিকা প্রকাশিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের ধূমকেতু পত্রিকার প্রকাশসাল মনে রাখতে সালটি এভাবে মনে রাখতে পারো যে অসহযোগ আন্দোলনের পর ১৯২২ সালে ধূমকেতুর মতো আবির্ভূত হন নজরুল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ধূমকেতু পত্রিকার লাউঞ্জ বা প্রধান পরিচালক কে ছিলেন যার উত্তর কাজী নজরুল ইসলাম। এছাড়া এর প্রথম প্রকাশের তারিখ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আশীর্বাণী পাওয়ার বিষয়টিও খুব গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0