a য
b ল
c র
d ম
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) র ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণের ক্রম অনুযায়ী 'অন্তঃস্থ য়' বর্ণের অবস্থান 'ব' এর পরে এবং 'র' এর ঠিক আগে নির্ধারিত হয়েছে। তবে বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানের বর্ণানুক্রমিক বিন্যাস অনুযায়ী 'য়' বর্ণের পরবর্তী বর্ণ হলো 'র'। অভিধানে বাংলা বর্ণমালার প্রচলিত ক্রম অর্থাৎ স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের নির্দিষ্ট ধারা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয় যাতে শব্দ সহজে খুঁজে পাওয়া যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে যার মধ্যে 'অন্তঃস্থ য', 'র', 'ল', 'ব', 'তালব্য শ', 'মূর্ধন্য স', 'দন্ত্য স', 'হ', 'ড়', ঢ়', 'য়', 'খিয়', 'ৎ', 'ং', 'ঃ', 'ঁ' অন্তর্ভুক্ত। বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানের নিয়ম অনুসারে ব্যঞ্জনবর্ণের শেষে অতিরিক্ত বর্ণ হিসেবে আসা 'য়' এর পরপরই 'র' বর্ণটিকে সাজানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমি অভিধানে 'বায়ু' শব্দের পরে 'বার্তাজীবি' শব্দ পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে 'য়' যুক্ত শব্দের পরে 'র' যুক্ত শব্দ বিন্যস্ত হয়। উদাহরণ ২: 'দায়' শব্দের ঠিক পরেই অভিধানে 'দারোগা' শব্দটি আসে। ব্যাখ্যা: বর্ণানুক্রমিক ধারা বজায় রাখতে 'য়' এর পরে 'র' বর্ণকে স্থান দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) য — 'য' বর্ণটি 'য়' এর পরে নয় বরং বাংলা বর্ণমালার প্রথমার্ধে অন্তঃস্থ বর্ণ হিসেবে অনেক আগেই অবস্থান করে। B) ল — 'ল' বর্ণটি ব্যঞ্জনমালার ক্রম অনুযায়ী 'র' এর ঠিক পরে আসে, তাই এটি 'য়' এর ঠিক পরের বর্ণ নয়। D) ম — 'ম' বর্ণটি স্পর্শ ব্যঞ্জনবর্ণের পঞ্চম বর্গের অন্তর্ভুক্ত এবং এর অবস্থান অভিধানে অনেক পরে। C) র — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলা একাডেমি অভিধানের নিয়ম অনুযায়ী 'য়' এর পরপরই 'র' বর্ণটি আসে। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা একাডেমি অভিধানের বর্ণক্রম মনে রাখার জন্য ব্যঞ্জনবর্ণের শেষ অংশ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে। 'য়' এর পরে 'র' এবং তারপরে 'ল' আসে—এই ধারাবাহিকতা মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানের বর্ণবিন্যাস থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বর্ণমালার প্রচলিত ক্রম এবং অভিধানের ক্রমের পার্থক্যগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0