a হেমেন্দ্রকুমার রায়
b শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
c প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
d গিরিশচন্দ্র বসু
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় ধারাবাহিক গোয়েন্দা উপন্যাসের জনক বা প্রবর্তক হলেন প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়। - তার রচিত 'দারোগার দপ্তর' বাংলা সাহিত্যের প্রথম ধারাবাহিক অপরাধমূলক বা গোয়েন্দা রচনা হিসেবে বিশেষভাবে সমাদৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায় কলকাতা পুলিশের একজন দারোগা ছিলেন এবং চাকরির অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি এই কাহিনীগুলো লিখেছিলেন। - উনিশ শতকের শেষভাগে প্রকাশিত এই সংকলনটি বাংলা অপরাধ সাহিত্য ও গোয়েন্দা কাহিনীর ধারায় একটি যুগান্তকারী সংযোজন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগার দপ্তর ব্যাখ্যা: এটি প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ধারাবাহিক গোয়েন্দা গ্রন্থ, যা বিভিন্ন খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল। উদাহরণ ২: কনস্টেবল জীবনের ঘটনা ব্যাখ্যা: পুলিশি জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত এমন সাহিত্যিক উপাদান বাংলা অপরাধমূলক কাহিনীর ভিত্তি স্থাপন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেমেন্দ্রকুমার রায় — তিনি বাংলা শিশুসাহিত্য এবং কিশোর গোয়েন্দা কাহিনীর জন্য বিখ্যাত হলেও 'দারোগার দপ্তর' এর লেখক নন। B) শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র ব্যোমকেশ বক্সীর স্রষ্টা, তবে 'darogar doptor' তার রচনা নয়। C) প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) গিরিশচন্দ্র বসু — তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কৃষিবিদ ছিলেন, গোয়েন্দা সাহিত্য বা 'দারোগার দপ্তর' এর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখার জন্য 'প্র' দিয়ে প্রবর্তক এবং 'প্র' দিয়ে প্রিয়নাথ এই সূত্রটি মনে রাখতে পারো। - দারোগার দপ্তর মানেই পুলিশের লেখা, আর প্রথম দারোগা লেখক ছিলেন প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম ধারাবাহিক গোয়েন্দা উপন্যাস বা এর লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় একাধিকবার এসেছে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0