a নি: + রব
b নী + রব
c নৈ + রব
d নীর + রব
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নি: + রব ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গের পর র থাকলে বিসর্গ লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী স্বরবর্ণ দীর্ঘ হয়। এখানে নি বিসর্গ এর সঙ্গে রব যুক্ত হয়ে নীরব গঠিত হয়েছে যেখানে নি এর বিসর্গ লোপ পেয়ে ন এর ই কার দীর্ঘ ই কারে রূপান্তরিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিসর্গ সন্ধি হলো স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যেখানে বিসর্গ এর সঙ্গে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন ঘটে। এই নিয়মে বিসর্গের পরে র থাকলে বিসর্গ উঠে যায় এবং তার আগের হ্রস্ব স্বরবর্ণ দীর্ঘ স্বরবর্ণে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নি: + রোগ = নিরোগ ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে র থাকার কারণে বিসর্গ লুপ্ত হয়েছে এবং ই কার দীর্ঘ ই কারে পরিবর্তিত হয়েছে। উদাহরণ ২: নি: + রস = নীরস ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির একই নিয়ম এখানে প্রযোজ্য হয়েছে যেখানে নি বিসর্গ এর সঙ্গে রস যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নি: + রব — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিসর্গ সন্ধির সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) নী + রব — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি যা সন্ধির নিয়মবিরুদ্ধ। C) নৈ + রব — এই অপশনটি ভুল কারণ নৈ হলো একটি স্বরসন্ধির উপাদান যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। D) নীর + রব — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে মূল শব্দের বানান পরিবর্তন করে নীর লেখা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গের পর র থাকলে বিসর্গ তুলে দিয়ে আগের ছোট ই কার বা উ কার বড় করে দিতে হয়। নীরব বা নিরোগ শব্দ দেখলে বুঝবে এটি বিসর্গ সন্ধির র কার যুক্ত বিশেষ নিয়ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বিসর্গ সন্ধি প্রায়ই আসে যেখানে বানানের পরিবর্তন লক্ষ্য করতে হয়। নি যুক্ত র দিয়ে গঠিত শব্দগুলো যেমন নীরব, নিরোগ ও নীরস একই সূত্রে সমাধান করতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0