a কাজী নজরুল ইসলাম
b গুলবদন
c ফররুখ আহমদ
d আবুল ফজল
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গুলবদন ১. কেন সঠিক: - 'হুমাযুন নামা' গ্রন্থটির রচয়িতা গুলবদন বেগম, যিনি মুঘল সম্রাট বাবরের কন্যা এবং হুমায়ুনের বোন ছিলেন। - আকবরের অনুরোধে তিনি এই ঐতিহাসিক গ্রন্থটি রচনা করেন, যেখানে বাবর ও হুমায়ুনের আমলের বহু দুর্লভ তথ্য পাওয়া যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গুলবদন বেগম ছিলেন মুঘল রাজপরিবারের অন্যতম শিক্ষিত নারী এবং প্রখ্যাত লেখিকা। - ফার্সি ভাষায় রচিত 'হুমাযুন নামা' মুঘল আমল সম্পর্কে জানার একটি অত্যন্ত প্রামাণিক ঐতিহাসিক দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইন-ই-আকবরি ব্যাখ্যা: এটি আবুল ফজল রচিত মুঘল সম্রাট আকবরের আমলের ইতিহাস বিষয়ক একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। উদাহরণ ২: তুজুক-ই-বাবরি ব্যাখ্যা: এটি মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবর কর্তৃক তুর্কি ভাষায় রচিত তাঁর নিজের আত্মজীবনী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী কবি, মুঘল ইতিহাস বা 'হুমাযুন নামা'র সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। B) গুলবদন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি মুঘল আমলের রাজকুমারী হয়েও ফার্সি ভাষায় এই ঐতিহাসিক গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। C) ফররুখ আহমদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত মুসলিম রেনেসাঁসের কবি ও সাহিত্যিক, এই ঐতিহাসিক গ্রন্থের রচয়িতা নন। D) আবুল ফজল — তিনি আকবরের নবরত্নের একজন এবং 'আইন-ই-আকবরি' ও 'আকবরনামা'র রচয়িতা, 'হুমাযুন নামা'র নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুঘল নারীদের সাহিত্যকর্ম মনে রাখতে মনে রাখবে হুমায়ুনের বোন গুলবদন বেগম লিখেছেন 'হুমাযুন নামা'। - নামেই পরিচয়ের ইঙ্গিত আছে কারণ হুমায়ুনের নামানুসারেই গ্রন্থটির নাম রাখা হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুঘল আমলের ঐতিহাসিক গ্রন্থ ও রচয়িতাদের নাম জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার এসেছে, তাই গ্রন্থ ও লেখকের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0