a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
b প্রমথ চৌধুরীর
c কাজী নজরুলের
d গোলাম মোস্তফার
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১. কেন সঠিক: - ভানুসিংহ হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছদ্মনাম, যা তিনি কৈশোরে পদাবলী সাহিত্য অনুকরণে কবিতা লেখার সময় ব্যবহার করতেন। - মাত্র ষোলো বছর বয়সে বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে তিনি এই ছদ্মনামে পদ রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও উপন্যাসের পাশাপাশি গান রচনায় অসামান্য অবদান রেখেছেন। - ১৮৭৭ খ্রিষ্টাব্দে ভারতী পত্রিকায় ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী প্রথম প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীতে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভানুসিংহের পদাবলী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ, যা তিনি ভানুসিংহ ছদ্মনামে বৈষ্ণব পদাবলীর ঢঙে রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম, যা তিনি সাহিত্যজগতে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের — এই অপশনটি সঠিক এবং ভানুসিংহ নামটি তাঁরই ব্যবহৃত প্রথম ও প্রধান ছদ্মনাম। B) প্রমথ চৌধुरীর — প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত ছদ্মনাম হলো বীরবল, তাই এটি সঠিক নয়। C) কাজী নজরুলের — কাজী নজরুল ইসলামের কোনো পরিচিত ছদ্মনাম ছিল না, তিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত। D) গোলাম মোস্তফার — গোলাম মোস্তফা একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক, তাঁর কোনো ছদ্মনাম ছিল ভানুসিংহ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম ও সবচেয়ে পরিচিত ছদ্মনাম ভানুসিংহ মনে রাখতে র-তে রবীন্দ্রনাথ এবং ভ-তে ভানুসিংহ এভাবে মনে রাখতে পারো। - বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে লেখা বলে এর সঙ্গে ভক্তিভাব ও পদাবলীর সম্পর্ক রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথের ছদ্মনাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই সঙ্গে অন্যান্য লেখকের ছদ্মনাম যেমন বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের বনফুল এবং কালীপ্রসন্ন সিংহের হুতোম প্যাঁচা ভালোভাবে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0