a বিদুষী
b বিদূষী
c বীদূষি
d বিদুষি
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিদূষী ১. কেন সঠিক: বিদূষী শব্দটি গঠিত হয়েছে বিদ্বান শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ হিসেবে। বানানটিতে মূর্ধন্য ষ এবং দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই কার বা ঈ কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। বিদ্বান শব্দের স্ত্রীলিঙ্গবাচক বিদূষী শব্দটিতে দ এর নিচে দীর্ঘ ঊ কার এবং ষ এর সঙ্গে দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তেজস্বিনী ব্যাখ্যা: তেজস্বী শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: যশস্বিনী ব্যাখ্যা: যশস্বী শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপে একই নিয়ম প্রযোজ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদুষী — এই অপশনে দ এর নিচে হ্রস্ব উ কার এবং ষ এর সঙ্গে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানরীতি অনুযায়ী ভুল। B) বিদূষী — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে। C) বীদূষি — এই অপশনে দীর্ঘ ঈ কার এবং হ্রস্ব ই কারের ভুল প্রয়োগ রয়েছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। D) বিদুষি — এই অপশনে শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিদ্বান থেকে আসা বিদূষী শব্দটিতে সর্বদা দীর্ঘ ঊ এবং দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করতে হয়। স্ত্রীলিঙ্গবাচক এই তৎসম শব্দটির বানান মনে রাখতে শেষ অংশে দীর্ঘ ঈ কারের ওপর জোর দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্ত্রীলিঙ্গবাচক বা তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দের সঠিক বানান মনে রাখা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0