a বাংলার সমাজ ব্যবস্থা
b গ্রাম বাংলার অর্থনৈতিক বন্দনা
c গ্রাম বাংলার নিসর্গ
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গ্রাম বাংলার নিসর্গ ১. কেন সঠিক: জীবনানন্দ দাশের কবিতায় মূলত বাংলার নিসর্গ বা প্রকৃতি অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও গভীর রূপ নিয়ে প্রকাশ পেয়েছে। তিনি রূপসী বাংলার প্রকৃতিকে বিভিন্ন অনুষঙ্গ যেমন ধানসিঁড়ি নদী, শালিখ, কাঁঠালবট, শাঁখচিল এবং কুয়াশার রূপ দিয়ে অমর করে গেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং তাকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়। তার কবিতায় আবহমান বাংলার প্রকৃতি, সবুজ রূপ এবং নিসর্গের বিষণ্ণ সৌন্দর্য এককভাবে প্রধান হয়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবার একদিন রূপসী বাংলায় ফিরে আসবো এই নদীর তীরে। ব্যাখ্যা: এই চরণে কবির বাংলার প্রকৃতির প্রতি গভীর নিসর্গপ্রীতি ও আত্মিক টানের প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর। ব্যাখ্যা: এখানে বাংলার নিসর্গরূপের প্রতি কবির চূড়ান্ত মুগ্ধতা ও সন্তুষ্টির বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলার সমাজ ব্যবস্থা — জীবনানন্দ দাশের কবিতায় সমাজ সংস্কার বা সমাজব্যবস্থার সমালোচনার চেয়ে নিসর্গচেতনা ও অন্তর্মুখী মনস্তত্ত্ব বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। B) গ্রাম বাংলার অর্থনৈতিক বন্দনা — তার কবিতায় গ্রামীণ অর্থনীতি বা কৃষিজীবী মানুষের অর্থনৈতিক প্রগতির কোনো বন্দনা বা বিবরণ পাওয়া যায় না। C) গ্রাম বাংলার নিসর্গ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তার সমগ্র কাব্যজুড়ে বাংলার নিসর্গরূপ এবং প্রকৃতির নানা উপাদান নিখুঁতভাবে চিত্রিত হয়েছে। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন সি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশ মানেই রূপসী বাংলা এবং রূপসী বাংলা মানেই বাংলার নিসর্গ প্রকৃতি। কবিকে চেনার প্রধান সূত্র হলো তার কবিতার নিসর্গপ্রেম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জীবনানন্দ দাশকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয় এবং তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম রূপসী বাংলা। এই ধরনের প্রশ্ন পরীক্ষায় আসলে কবিকে নিসর্গ বা প্রকৃতির সঙ্গে মিলিয়ে উত্তর করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0