a প্রথম বাঙালি নারী ঔপন্যাসিক
b প্রথম বাঙালি নারী প্রশাসক
c বাংলা সাহিত্যের প্রথম বাঙালি নারী কবি
d বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী নাট্যকার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাংলা সাহিত্যের প্রথম বাঙালি নারী কবি ১. কেন সঠিক: - চন্দ্রাবতীকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম বাঙালি নারী কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তিনি ষোড়শ শতকের মধ্যযুগের বাংলা মঙ্গলকাব্য ও রামায়ণ সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। - তাঁর রচিত 'রামায়ণ' বাংলা সাহিত্যের প্রথম কোনো নারীর কলমে রচিত মহাকাব্যিক রচনা। ময়মনসিংহ গীতিকায় তাঁর দুঃখময় জীবন ও কবিপ্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চন্দ্রাবতী ছিলেন মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা এবং তাঁর বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার পাতাইল গ্রামে। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রথাবিরোধী ও নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গির কবি হিসেবে সমাদৃত। - তাঁর বিখ্যাত কাজের মধ্যে রয়েছে 'মলার চর', 'রামায়ণ' কাব্য এবং অপরূপা প্রেমে ভরা কবিগান। পিতা দ্বিজ বংশীদাসের অনুরোধে তিনি রামায়ণ অনুবাদ শুরু করেছিলেন যা বাংলা সাহিত্যে অনন্য কীর্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্রাবতীর রামায়ণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কোনো নারীর লেখা প্রথম রামায়ণ, যেখানে সীতার দুঃখকে প্রধান করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: মলুয়ার পালা ব্যাখ্যা: চন্দ্রাবতীর দুঃখময় জীবন নিয়ে দীনেশচন্দ্র সেন ময়মনসিংহ গীতিকায় তাঁর সাহিত্যকর্ম ও জীবনসংগ্রামের বিশদ বিবরণ দিয়েছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম বাঙালি নারী ঔপন্যাসিক — স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম বাঙালি নারী ঔপন্যাসিক, চন্দ্রাবতী নন। B) প্রথম বাঙালি নারী প্রশাসক — বাংলার ইতিহাসে প্রাচীন বা মধ্যযুগে কোনো নারী প্রশাসক হিসেবে চন্দ্রাবতীর নাম আসে না। D) বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী নাট্যকার — বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী নাট্যকার হিসেবে ভুবনমোহিনী দেবী বা ইলা সেনের নাম উল্লেখযোগ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের নারী কবি মানেই চন্দ্রাবতী এবং তিনি রামায়ণ লিখেছিলেন। কবি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা চন্দ্রাবতী ষোড়শ শতকের প্রথম নারী কবি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান কিশোরগঞ্জ জেলার নীলা নদীর তীরে। মধ্যযুগের নারী সাহিত্যিকদের মধ্যে তাঁর নাম সবার আগে আসে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0