a নাটক
b ছোটগল্প
c প্রবন্ধ
d গীতিকবিতা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গীতিকবিতা ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, চর্যাপদ থেকে শুরু করে আধুনিককাল পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি কবি ও সাহিত্যিক গীতিকবিতা রচনায় নিজেদের নিয়োজিত করেছেন এবং বাংলা কবিতার ভাণ্ডার সবচেয়ে বেশি সমৃদ্ধ হয়েছে। গীতিকবিতার মাধ্যমে মূলত কবির ব্যক্তিগত আবেগ, আনন্দ, বেদনা, প্রেম ও প্রকৃতির রূপ অত্যন্ত সুনিপুণভাবে প্রকাশিত হয়, যা বাংলা সাহিত্যের দীর্ঘ পথচলায় সবচেয়ে শক্তিশালী ও বিস্তৃত ধারা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগে পদাবলি সাহিত্যের মাধ্যমে গীতিকবিতার ধারা সূচিত হয়েছিল এবং উনিশ শতকে এসে এটি পূর্ণ বিকাশ লাভ করে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলামসহ প্রায় সকল প্রধান কবিই গীতিকবিতা রচনায় বিশেষ অবদান রেখেছেন এবং বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতল কবিতা সংকলন মানসী বা সোনার তরী। ব্যাখ্যা: এগুলো বাংলা গীতিকবিতার উৎকর্ষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী বা প্রলয়োল্লাস কবিতা। ব্যাখ্যা: এগুলো বাংলা ওজস্বিনী ও দ্রোহের গীতিকবিতার অনন্য উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটক — বাংলা সাহিত্যে নাটক অপেক্ষებით কম রচিত হয়েছে এবং এটি সাহিত্যের তুলনামূলক কম সমৃদ্ধ একটি ধারা। B) ছোটগল্প — ছোটগল্পে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবদান অনন্য হলেও এটি গীতিকবিতার মতো এত বিশাল পরিসরে সমৃদ্ধ নয়। C) প্রবন্ধ — প্রবন্ধ একটি মননশীল ধারা হলেও গীতিকবিতার মতো এর বিশাল আবেদন ও বৈচিত্র্য বাংলা সাহিত্যে দেখা যায় না। D) গীতিকবিতা — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলা সাহিত্য মানেই মূলত কবিতার দেশ। তাই পরীক্ষার হলে সাহিত্যের সবচেয়ে সমৃদ্ধ ধারা হিসেবে গীতিকবিতা বা কবিতাকে চোখ বন্ধ করে বেছে নিতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদও মূলত একধরনের গান বা গীতিকবিতা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই মনে রাখতে হবে যে পরিমাণের দিক থেকে কবিতা ও গীতিকবিতাই বাংলা সাহিত্যকে সবচেয়ে বেশি সমৃদ্ধ করেছে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0