a দায়িত্ব না রাখা
b শুরু করা
c ভোগান্তি না করা
d অপেক্ষা করা
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দায়িত্ব না রাখা ১. কেন সঠিক: - 'হাত ধুয়ে বসা' একটি বিশেষ বাগধারা যার শাব্দিক অর্থ হাত পরিষ্কার করা হলেও এর লক্ষ্যার্থ হলো কোনো কাজ থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি নেওয়া বা দায়িত্ব অস্বীকার করা। - প্রমিত বাংলা অভিধান অনুযায়ী, কোনো কাজের প্রতি অনীহা প্রকাশ করা এবং সেই কাজের দায়দায়িত্ব নিজের কাঁধ থেকে নামিয়ে রাখাকে এই বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে। - বাংলা ভাষায় বাগধারা ব্যবহারের ফলে ভাষা আকর্ষণীয়, প্রাণবন্ত ও ভাবগর্ভ হয়ে ওঠে, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ব্যাকরণ অংশে নিয়মিত আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজটি শেষ না করেই সে হাত ধুয়ে বসে রইল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কাজটি অসমাপ্ত রেখে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার ভাব প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: বিপদের সময় এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করে হাত ধুয়ে বসা ঠিক নয়। ব্যাখ্যা: সংকটকালে কর্তব্যকর্ম এড়িয়ে যাওয়ার মনোভাব বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দায়িত্ব না রাখা — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'হাত ধুয়ে বসা' বাগধারাটির ভাবার্থ দায়িত্ব এড়িয়ে চলা বোঝায়। B) শুরু করা — এই অপশনটি ভুল কারণ কোনো কাজের সূচনা করা বোঝাতে 'হাতে খড়ি' বা 'হাতে নেওয়া' বাগধারা ব্যবহার হয়। C) ভোগান্তি না করা — এই অপশনটি ভুল কারণ কষ্টের বিষয় বা ভোগান্তির সঙ্গে এই বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই। D) অপেক্ষা করা — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রতীক্ষা করা বোঝাতে 'চেয়ে থাকা' বা 'কান পেতে থাকা' বাগধারা ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো কাজ থেকে হাত গুটিয়ে বা ধুয়ে দূরে সরে দাঁড়ানো মানেই হলো সেই কাজের দায়িত্ব না রাখা। - পরীক্ষার হলে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবার্থের দিকে বেশি নজর দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রচলিত বা ভিন্নার্থক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে। - বাগধারা মুখস্থ না করে এর পেছনের ভাবার্থ ও ব্যবহারের প্রেক্ষাপট বোঝার চেষ্টা করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0