a আনিসুজ্জামান
b আব্দুল কাদির
c আব্দুল হক
d রফিকুল ইসলাম
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আব্দুল কাদির ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম সামগ্রিকভাবে সুবিন্যস্ত ও সম্পাদনার ক্ষেত্রে গবেষক ও সাহিত্যিক আব্দুল কাদির অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে কবির বিভিন্ন লেখা সংগ্রহ করে গ্রন্থিত ও সম্পাদনা করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: আব্দুল কাদির একজন প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, গবেষক ও সম্পাদক ছিলেন যিনি নজরুলের রচনাবলী প্রকাশের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন। বাংলা সাহিত্য গবেষণায় নজরুলের সাহিত্যিক অবদান ও সঠিক পাঠ উদ্ধারে তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থগুলো অত্যন্ত প্রামাণ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা। ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। উদাহরণ ২: কাজী নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও শক্তিশালী প্রতিবাদী কবিতা যা তাকে বিদ্রোহী কবির খ্যাতি এনে দিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আনিসুজ্জামান — তিনি প্রখ্যাত নজরুল গবেষক ও অধ্যাপক হলেও নজরুলের রচনাবলী প্রথম সম্পাদনার মূল কাজটি তিনি করেননি। B) আব্দুল কাদির — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম নজরুলের রচনাবলী সম্পাদনার গুরুদায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছিলেন। C) আব্দুল হক — তিনি প্রাবন্ধিক ও সমালোচক হলেও নজরুলের রচনাবলী প্রথম সম্পাদনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। D) রফিকুল ইসলাম — তিনি বিশিষ্ট নজরুল গবেষক ও অধ্যাপক হলেও প্রথম রচনাবলী সম্পাদনার ক্ষেত্রে আব্দুল কাদিরের নাম প্রধান। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের রচনাবলী সম্পাদনার ক্ষেত্রে কাদির সাহেবের নামটি সবার আগে মনে রাখবে। প্রথম সম্পাদনার কাজটি করেছিলেন আব্দুল কাদির। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জাতীয় কবির রচনাবলী, প্রথম প্রকাশকাল এবং সম্পাদক সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় গবেষকদের সঠিক নাম মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0