a এটির প্রকাশকাল ১৯৫২
b এটি কবিতা সংকলন
c এটির সম্পাদক আশরাফ সিদ্দিকী
d এটির প্রকাশক মোহাম্মদ সুলতান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) এটির প্রকাশক মোহাম্মদ সুলতান ১. কেন সঠিক: - 'একুশে ফেব্রুয়ারী' সংকলন গ্রন্থটির প্রথম প্রকাশকাল ১৯৫৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাস এবং এর প্রকাশক ছিলেন মোহাম্মদ সুলতান। - হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত এই ঐতিহাসিক সংকলনটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত প্রথম প্রামাণ্য গ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য তুলে ধরার জন্য ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় 'একুশে ফেব্রুয়ারী' সংকলনটি প্রকাশিত হয়। - এই গ্রন্থে ভাষা শহীদদের স্মরণে লেখা কবিতা, প্রবন্ধ ও ডায়েরি স্থান পেয়েছিল যা আমাদের জাতীয় সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরেক ফাল্গুন ব্যাখ্যা: জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস। উদাহরণ ২: তমদ্দুন মজলিস ব্যাখ্যা: ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ভাষা আন্দোলনের প্রস্তুতিপর্বের প্রথম সাংস্কৃতিক সংগঠন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এটির প্রকাশকাল ১৯৫২ — এই অপশনটি ভুল কারণ গ্রন্থটি ১৯৫২ সালে নয় বরং ১৯৫৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত হয়েছিল। B) এটি কবিতা সংকলন — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি শুধু কবিতা নয় বরং কবিতা, প্রবন্ধ ও স্মৃতিকথার সমন্বিত একটি সংকলন গ্রন্থ। C) এটির সম্পাদক আশরাফ সিদ্দিকী — এই অপশনটি ভুল কারণ এই সংকলন গ্রন্থের সম্পাদক ছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান। D) এটির প্রকাশক মোহাম্মদ সুলতান — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল জিজ্ঞাসিত একটি ঐতিহাসিক তথ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - একুশ মানেই ৫৩ সাল এবং সম্পাদক হাসান সুলতানের প্রকাশক সুলতান এভাবে মনে রাখা যায়। - সম্পাদনা করেছেন হাসান হাফিজুর রহমান আর প্রকাশ করেছেন মোহাম্মদ সুলতান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন গ্রন্থের নাম এবং সম্পাদকের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - এই ধরনের সাহিত্যিক প্রকাশের ক্ষেত্রে সাল এবং সম্পাদকের নাম আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0