a মহি + মা
b মহা + ইমা
c মহৎ + ইমন
d মহিম + আ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহৎ + ইমন ১. কেন সঠিক: - 'মহিমা' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'মহৎ' শব্দের সঙ্গে 'ইমন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে, যেখানে নিপাতনে বা বিশেষ নিয়মে শব্দের অন্ত্য অংশ পরিবর্তিত হয়। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষণ পদের সঙ্গে ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে 'ইমন' প্রত্যয় যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় বা তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মে বিশেষণ শব্দের উত্তর ভাববাচক বিশেষ্য বোঝাতে 'ইমন' প্রত্যয় যুক্ত হয়। - মহৎ শব্দের সঙ্গে ইমন প্রত্যয় যুক্ত হলে মহৎ + ইমন মিলে মহিমা শব্দটি গঠিত হয়, যা গুণবাচক বা ভাববাচক বিশেষ্য পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লঘু + ইমন = লঘিমা ব্যাখ্যা: লঘু বিশেষণের সঙ্গে ভাববাচক বিশেষ্য বোঝাতে ইমন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে লঘিমা শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: গুরু + ইমন = গরিমা ব্যাখ্যা: গুরু বিশেষণের সঙ্গে ভাববাচক বিশেষ্য বোঝাতে ইমন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গরিমা শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহি + মা — মহি কোনো প্রমিত মূল শব্দ নয় এবং মা কোনো স্বীকৃত বাংলা প্রত্যয় নয়। B) মহা + ইমা — মহা উপসর্গ বা পূর্বপদ হলেও ইমা কোনো ব্যাকরণসিদ্ধ প্রত্যয় হিসেবে এখানে প্রযোজ্য নয়। D) মহিম + আ — মহিম কোনো মৌলিক প্রাতিপদিক শব্দ নয় এবং আ প্রত্যয় যোগে এই শব্দের গঠন ব্যাকরণসম্মত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অন্তে ইমা বািমা থাকলে এবং তার মূল শব্দ বিশেষণ হলে সাধারণত ইমন প্রত্যয় ধরতে হয়। - মহৎ, লঘু ও গুরু শব্দের সঙ্গে ইমন প্রত্যয় যোগে যথাক্রমে মহিমা, লঘিমা ও গরিমা গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয়ের এই উদাহরণটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই নিয়মের শব্দগুলো দেখতে একরকম মনে হলেও মূল শব্দ ও প্রত্যয় নির্ণয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0