a মিশ্র বাক্য
b বিস্ময়বোধক বাক্য
c যৌগিক বাক্য
d জটিল বাক্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিস্ময়বোধক বাক্য ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে বক্তার মনের গভীর আবেগ, বিস্ময় বা উল্লাস প্রকাশ পেয়েছে এবং বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন ব্যবহৃত হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী যে বাক্যে হর্ষ, বিষাদ, ঘৃণা, ভয় বা বিস্ময় প্রকাশ পায়, তাকে বিস্ময়বোধক বাক্য বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অর্থগত দিক থেকে বাংলা বাক্যকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়, যার একটি হলো বিস্ময়বোধক বা আবেগসূচক বাক্য। - এই ধরনের বাক্যে সাধারণত বাহবা, ওহ, আহা, সত্যি, হায় হায় ইত্যাদির মতো আবেগসূচক শব্দ ব্যবহৃত হয় এবং বাক্যের শেষে বিস্ময় চিহ্ন বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাহ! কী সুন্দর পাখি। ব্যাখ্যা: এটি একটি বিস্ময়বোধক বাক্য কারণ এখানে দেখার প্রতি আনন্দ ও বিস্ময় প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: সর্বনাশ হয়েছে! এখন কী হবে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ভয় ও উৎকণ্ঠার মতো তীব্র আবেগ প্রকাশ পাওয়ায় এটি বিস্ময়বোধক বাক্য হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ মিশ্র বা জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভরশীল থাকে, যা এখানে নেই। B) বিস্ময়বোধক বাক্য — এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে উপরে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে। C) যৌগিক বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। D) জটিল বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ জটিল বাক্যে সাপেক্ষ সর্বনাম বা যোজক ব্যবহৃত হয়, যা এই উদ্ধৃতির গঠনশৈলীর সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (! থাকলে এবং তা দ্বারা আবেগ বা অনুভূতির প্রকাশ ঘটলে চোখ বন্ধ করে তাকে বিস্ময়বোধক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত নাটক বা উপন্যাসের সংলাপ তুলে ধরে বাক্যের রূপ জানতে চাওয়া হয়। - সংলাপের মূল ভাব এবং চিহ্নের ব্যবহার লক্ষ করলেই সঠিক উত্তর খুব সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0