a বিধবার
b বঞ্চিতের
c পরশুরামের
d ইস্রাফিলের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিধবার ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবিতায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম সমাজে নির্যাতিত ও অবহেলিত মানুষের বেদনার রূপ ফুটিয়ে তুলতে বিধবার বুকের ক্রন্দন-শ্বাস ফুটিয়ে তুলেছেন। - এখানে বিধবা নারীর নিদারুণ দুঃখ, দীর্ঘশ্বাস এবং সমাজের বঞ্চনার বিরুদ্ধে এক ধরনের নীরব অথচ তীব্র প্রতিবাদের সুর প্রকাশ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত ও যুগান্তকারী সৃষ্টি। - ১৯২১ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত এই কবিতাটি বাংলা কাব্যাঙ্গনে এক নতুন ধারার জন্ম দেয় এবং পরাধীনতার বিরুদ্ধে যুবসমাজকে উদ্দীপ্ত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহা-বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত / আমি সেই দিন হবো শান্ত। ব্যাখ্যা: এটি বিদ্রোহী কবিতার একটি বিখ্যাত পঙক্তি, যা কবির চিরতরে বিদ্রোহী সত্তা ও ক্লান্তহীন সংগ্রামের পরিচয় দেয়। উদাহরণ ২: আমি চির-বিদ্রোহী বীর / বিশ্ব ছাড়িয়া একা খাহ্ করিয়াছি বিশ্ব-অক্ষীর। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিগুলোতে কবির আত্ম অহংকার, বিশ্বজয়ের মানসিকতা এবং বিদ্রোহের তীব্রতা প্রকাশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিধবার — এটি সঠিক উত্তর কারণ কবিতায় সরাসরি বিধবার বুকের ক্রন্দন-শ্বাস বুঝিয়েছেন। B) বঞ্চিতের — বঞ্চিতের কথা কবিতায় থাকলেও এই নির্দিষ্ট চরণে বিধবার কথা বলা হয়েছে। C) পরশুরামের — পরশুরামের কুঠারের কথা কবিতায় আছে কিন্তু ক্রন্দন-শ্বাসের সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই। D) ইস্রাফিলের — ইস্রাফিলের শিঙ্গার মহা-হুঙ্কারের কথা বলা হয়েছে, যা ক্রন্দন-শ্বাসের সঙ্গে মিলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্রোহী কবিতায় নারী চরিত্র হিসেবে শুধু বিধবার বুকের ক্রন্দন-শ্বাসের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। - এটি মনে রাখলে পরীক্ষাতে বিভ্রান্তি এড়ানো সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিদ্রোহী কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা এবং এটি বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য বিপ্লব ঘটিয়েছিল। - এই ধরনের কবিতার চরণভিত্তিক উৎস থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0