a হাসান আজিজুল হক
b মোতাহের হোসেন চৌধুরী
c বদরুদ্দীন উমর
d আবুল ফজল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বদরুদ্দীন উমর ১. কেন সঠিক: - 'সংস্কৃতির সংকট' গ্রন্থটির রচয়িতা বিশিষ্ট মার্ক্সবাদী চিন্তাবিদ ও গবেষক বদরুদ্দীন উমর। - এই গ্রন্থে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, রাজনীতি এবং সমাজ ব্যবস্থার নানা সংকট ও তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বদরুদ্দীন উমর বাংলাদেশের বামপন্থী রাজনীতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চার এক প্রথিতযশা ব্যক্তিত্ব। - তার রচিত অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর মধ্যে 'পূর্ববাংলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি' এবং 'সাম্প্রদায়িকতা' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পূর্ববাংলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ব্যাখ্যা: এটি বদরুদ্দীন উমরের লেখা ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি প্রামাণ্য ও ঐতিহাসিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: সাম্প্রদায়িকতা ব্যাখ্যা: এটি বদরুদ্দীন উমরের লেখা সমাজ ও রাজনীতি বিষয়ক আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসান আজিজুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও 'সংস্কৃতির সংকট' তার রচিত গ্রন্থ নয়, তার বিখ্যাত গ্রন্থ 'আগুনপাখি'। B) মোতাহের হোসেন চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও বুদ্ধিজীবী হলেও তার বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'সংস্কৃতি কথা'। C) বদরুদ্দীন উমর — এটি সঠিক উত্তর এবং এই গ্রন্থটি তার রচিত সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক গবেষণামূলক কাজ। D) আবুল ফজল — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী হলেও তার বিখ্যাত গ্রন্থ 'সমাজ ও সাহিত্য'। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃতির নানা সংকট নিয়ে গভীরভাবে ভেবেছেন এবং লিখেছেন বদরুদ্দীন উমর। - উমর সাহেবের বিশ্লেষণ মানেই সমাজ ও সংস্কৃতির সংকট নিয়ে স্পষ্ট ধারণা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রখ্যাত চিন্তাবিদদের প্রবন্ধ ও গবেষণা গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - লেখকের নামের সঙ্গে তার বিখ্যাত চিন্তাধারা বা গবেষণামূলক গ্রন্থ মিলিয়ে পড়লে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0