a তালু
b মূর্ধা
c জিব
d দন্তমূল
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জিব ১. কেন সঠিক: বাগযন্ত্রের মধ্যে জিব সবচেয়ে বেশি সচল, নমনীয় এবং সক্রিয় প্রত্যঙ্গ হিসেবে কাজ করে। মুখের ভেতরে এর অবাধ গতির কারণেই আমরা বিভিন্ন ধরনের ভিন্ন ভিন্ন ধ্বনি বা বর্ণ উচ্চারণ করতে পারি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: মানবদেহের যে অঙ্গগুলোর সাহায্যে আমরা কথা বলি বা ধ্বনি উৎপন্ন করি সেগুলোকে বাগযন্ত্র বলে। ফুসফুস থেকে নির্গত বাতাস মুখবিবরের বিভিন্ন অংশে বাধা পেয়ে ধ্বনি তৈরি করে এবং জিব এই প্রক্রিয়ায় প্রধান ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, উ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিব কখনও উঁচুতে আবার কখনও নিচে অবস্থান করে। জিবের এই পরিবর্তনের মাধ্যমেই স্বরধ্বনিগুলোর স্বাতন্ত্র্য রক্ষা পায়। উদাহরণ ২: ক, চ, ট, ত, প বর্গীয় ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় জিব মুখবিবরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করে। জিবের স্পর্শের স্থানভেদে ধ্বনিগুলোর নামকরণ করা হয় যেমন কণ্ঠ্য, তালব্য ইত্যাদি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তালু — এটি মুখবিবরের উপরের শক্ত ও নরম অংশ, যা জিবের সাথে মিলে ধ্বনি তৈরিতে সহায়তা করে কিন্তু এটি নিজে সচল বা সক্রিয় নয়। B) মূর্ধা — এটি শক্ত তালু এবং দাঁতের পেছনের মধ্যবর্তী অংশ, যা উচ্চারণ স্থান হলেও এটি জিবের মতো সচল কোনো প্রত্যঙ্গ নয়। D) দন্তমূল — এটি দাঁতের গোড়ার অংশ মাত্র, যা ধ্বনি উচ্চারণে কেবল স্পর্শক হিসেবে কাজ করে এবং এটি সক্রিয় অঙ্গ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বাগযন্ত্রে জিব হলো প্রধান চালিকাশক্তি বা ড্রাইভার। জিব না নড়লে কথা বলা অসম্ভব, তাই এটিই সবচেয়ে সক্রিয় প্রত্যঙ্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাগযন্ত্রের সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় অংশ নিয়ে প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে জিব ও ঠোঁট হলো সবচেয়ে সক্রিয় বাগযন্ত্র।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0