a ব্যঞ্জনে - ব্যঞ্জনে
b স্বরে-ব্যঞ্জনে
c ব্যঞ্জনে-স্বরে
d নিপাতনে সিদ্ধ
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্যঞ্জনে - ব্যঞ্জনে ১. কেন সঠিক: - সম + তাপ যুক্ত হয়ে 'সন্তাপ' শব্দটি গঠিত হয়, যেখানে ম (ব্যঞ্জনবর্ণ) এর সাথে ত (ব্যঞ্জনবর্ণ) যুক্ত হয়েছে। - ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে যে সন্ধি সাধিত হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনসন্ধির একটি অন্যতম প্রধান নিয়ম হলো ম এর পর কোনো বর্গীয় বর্ণ থাকলে ম স্থানে সেই বর্গের নাসিক্য বর্ণ বা অনুস্বার হয়। - সম + তাপ সন্ধিতে ম এর নিচে হসন্ত এবং তাপ শব্দের ত হলো ব্যঞ্জনবর্ণ, তাই এটি ব্যঞ্জনে ব্যঞ্জনে সন্ধির উদাহরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম + বাদ = সংবাদ ব্যাখ্যা: এখানে ম এর পরে ব (ব্যঞ্জনবর্ণ) থাকার কারণে ম স্থানে অনুস্বার হয়ে ব্যঞ্জনে ব্যঞ্জনে সন্ধি হয়েছে। উদাহরণ ২: অলং + কার = অলংকার ব্যাখ্যা: এখানেও ম এর পরে ক (ব্যঞ্জনবর্ণ) যুক্ত হয়ে ব্যঞ্জনে ব্যঞ্জনে সন্ধি সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যঞ্জনে - ব্যঞ্জনে - এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন ঘটেছে। B) স্বরে-ব্যঞ্জনে - এটি ভুল কারণ এই শব্দ গঠনে কোনো স্বরবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন ঘটেনি। C) ব্যঞ্জনে-স্বরে - এটি ভুল কারণ এখানে ব্যঞ্জনবর্ণের পরে স্বরবর্ণ যুক্ত হওয়ার কোনো নিয়ম প্রয়োগ হয়নি। D) নিপাতনে সিদ্ধ - এটি ভুল কারণ নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো কোনো সাধারণ নিয়ম মানে না, কিন্তু 'সন্তাপ' নিয়মিত নিয়ম মেনেই সাধিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুস্বার যুক্ত সন্ধিগুলো যেমন সম যোগ তাপ সমান সন্তাপ, সাধারণত ব্যঞ্জনে ব্যঞ্জনে সন্ধির অন্তর্ভুক্ত হয়। - ম এর সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন দেখলে চোখ বন্ধ করে ব্যঞ্জনে ব্যঞ্জনে সন্ধি হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সম উপসর্গযুক্ত শব্দ থেকে প্রায়ই সন্ধি বিচ্ছেদ ও নিয়ম জানতে চাওয়া হয়। - ম-এর নিয়ম এবং অনুস্বারযুক্ত সন্ধির অনুশীলন করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0