a রক্তাক্ত প্রান্তর
b সুবচন নির্বাসনে
c নুরুলদীনের সারাজীবন
d পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ১. কেন সঠিক: - 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' হলো সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য। - এই নাটকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের জীবন, সংগ্রাম, আতঙ্ক এবং আত্মত্যাগের করুণ চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও কবি যিনি ১৯৩৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০১৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যনাট্য যা ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কবিতার ছন্দে নাটকের সংলাপ রচিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কাব্যনাট্য। ব্যাখ্যা: এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও গ্রামীণ জনপদের পটভূমিতে রচিত একটি অন্যতম প্রধান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক। উদাহরণ ২: 'এখানে তখন লোকজন' কাব্যনাট্য। ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যনাট্য যা তার নাট্যশিল্পের অনন্য নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি মুনীর চৌধুরী রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক, যার পটভূমি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ। B) সুবচন নির্বাসনে — এটি আবদুল্লাহ আল-মামুন রচিত একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক নাটক, যা ১৯৭৪ সালের প্রেক্ষাপটে রচিত। C) নুরুলদীনের সারাজীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হকের নাটক হলেও এর মূল বিষয়বস্তু হলো কৃষক বিদ্রোহ ও ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন। D) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক হওয়ায় প্রশ্নটির সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য মনে রাখার কৌশল হলো পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নুরুলদীনের সারাজীবনে। এখানে দুটি নাটকই তার অমর সৃষ্টি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাটকগুলোর রচয়িতা এবং নাটকের পটভূমি প্রায়শই আসে। ঐতিহাসিক নাটক ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটকের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0