a 1810
b 1811
c 1812
d 1813
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1812 ১. কেন সঠিক: - উইলিয়াম কেরির রচিত 'ইতিহাসমালা' গ্রন্থটি ১৮১২ খ্রিস্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষার্থীদের বাংলা শেখার সুবিধার জন্য বিভিন্ন দেশের নৈতিক ও ঐতিহাসিক গল্পের সংকলন হিসেবে এটি রচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'ইতিহাসমালা' গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট মিশনারি ও পন্ডিত উইলিয়াম কেরি যিনি শ্রীরামপুর মিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। - এই গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের বিকাশের প্রাথমিক যুগের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক দলিল হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কথোপকথন ব্যাখ্যা: উইলিয়াম কেরির আরেকটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে তৎকালীন বাংলা ভাষার কথ্যরূপের চমৎকার পরিচয় পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: হিতোপদেশ ব্যাখ্যা: নীতিশিক্ষা ও গল্পের সংকলনমূলক গ্রন্থ যা বাংলা গদ্যের প্রারম্ভিক অনুবাদ সাহিত্য ও নৈতিক রচনার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1810 — এটি ভুল কারণ উইলিয়াম কেরির 'ইতিহাসমালা' গ্রন্থটি এই সালে প্রকাশিত হয়নি বরং এর দুই বছর পর প্রকাশিত হয়। B) 1811 — এটি ভুল কারণ এই সালে 'ইতিহাসমালা' গ্রন্থ প্রকাশের কোনো ঐতিহাসিক প্রমাণ বা সাহিত্যিক রেকর্ড নেই। C) 1812 — এটি সঠিক কারণ গ্রন্থটি এই সালেই প্রথম প্রকাশিত ও জনসমক্ষে আসে। D) 1813 — এটি ভুল কারণ গ্রন্থটির প্রকাশকাল এর এক বছর আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: - উইলিয়াম কেরির 'ইতিহাসমালা' মনে রাখতে কেরির নামের শেষ অক্ষর এবং প্রকাশকালের শেষ অঙ্ক দুই মিলিয়ে মনে রাখা যায় যে এটি ১৮১২ সালের রচনা। - সালটি মনে রাখার জন্য শ্রীরামপুর মিশনের কার্যক্রমের সময়কাল এবং কেরির গদ্য রচনার যুগকে একসঙ্গে স্মরণ করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উইলিয়াম কেরির গ্রন্থগুলোর প্রকাশকাল প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - গদ্য সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন ও তাদের প্রকাশকাল ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0