a ২৪ মে ১৮৯৯
b ২৫ মে ১৮৯৯
c ২৪ মে ১৮৯৯
d ২৫ মে ১৯৯৯
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ মে ১৮৯৯ ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মতারিখ হলো বাংলা ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ এবং ইংরেজি ১৮৯৯ সালের ২৫ মে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের জন্ম ও মৃত্যুতারিখ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই সঠিক তারিখটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান পুরুষ, বিদ্রোহী কবি এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তিনি বাংলা কবিতায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছিলেন এবং তার লেখনীতে অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ফুটে উঠেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মতারিখ ৭ মে ১৮৬১। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আরেকজন দিকপালের জন্মতারিখ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: জসীমউদ্দীনের জন্মতারিখ ১ জানুয়ারি ১৯০৩। ব্যাখ্যা: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের জন্মতারিখও বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বহুবার এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ মে ১৮৯৯ - এই তারিখে কাজী নজরুল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেননি কারণ তাঁর প্রকৃত জন্মতারিখ হলো ২৫ মে ১৮৯৯। B) ২৫ মে ১৮৯৯ - এটি সঠিক এবং প্রামাণিক জন্মতারিখ যা বাংলা একাডেমি ও প্রমিত ইতিহাস দ্বারা সমর্থিত। C) ২৪ মে ১৮৯৯ - এটি অপশন এ এর অনুরূপ একটি ভুল তারিখ যা বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য দেওয়া হয়েছে। D) ২৫ মে ১৯৯৯ - সালটি ভুল কারণ ১৯৯৯ সাল হলো তাঁর জন্মশতবার্ষিকী, জন্মসাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের জন্মসাল ১৮৯৯ এবং তারিখ ২৫ মে মনে রাখতে ১৮৯৯ সালটিকে শেষের দুই অঙ্ক ৯৯ এবং মে মাসের ২৫ দিন এভাবে জোড়া হিসেবে মনে রাখতে পারো। সাহিত্যিকদের জন্মসাল মুখস্থ করার সময় তাদের সমসাময়িক লেখকদের জন্মকালের সঙ্গে তুলনা করে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ও মৃত্যুতারিখ বিসিএসসহ সব ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত কমন একটি প্রশ্ন। একইভাবে অন্যান্য প্রধান কবি ও লেখকদের জন্মসাল এবং তাদের বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের প্রকাশকাল আলাদা করে একটি চার্ট তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার প্রস্তুতি সহজ হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0