a প্রশ্নবাচক
b পারস্পরিক
c সকল বাচক
d সাপেক্ষ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাপেক্ষ ১. কেন সঠিক: - যে সর্বনাম পদগুলো জোড়ায় জোড়ায় বসে একে অপরের ওপর নির্ভর করে বাক্য গঠন করে, তাকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে। - এখানে যেমন এবং তেমন পদ দুটি একে অপরের পরিপূরক হিসেবে বসে একটির ফল অন্যটিকে প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সর্বনাম পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের পরিবর্তে ব্যবহৃত না হয়ে দুটি পদের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা বা শর্ত বোঝায়, তাকে সাপেক্ষ সর্বনাম বা সম্পর্কিত সর্বনাম বলা হয়। - বাংলা ব্যাকরণে এই সর্বনামগুলো সাধারণত জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয় এবং একটি অংশ ছাড়া অন্য অংশটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি দেশের সেবা করেন, তিনি প্রকৃত দেশপ্রেমিক। ব্যাখ্যা: এখানে যিনি এবং তিনি জোড়ায় বসে সাপেক্ষ সর্বনামের কাজ করেছে। উদাহরণ ২: যত গর্জে, তত বর্ষে না। ব্যাখ্যা: এখানে যত এবং তত পদ দুটি পারস্পরিক নির্ভরতা প্রকাশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রশ্নবাচক — প্রশ্ন করার জন্য যেসব সর্বনাম ব্যবহৃত হয়, যেমন কে, কি, কাকে, তাকে প্রশ্নবাচক সর্বনাম বলে কিন্তু এখানে কোনো প্রশ্ন করা হয়নি। B) পারস্পরিক — নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয়, যেমন নিজে, আপনি, খোদ তাকে পারস্পরিক সর্বনাম বলে কিন্তু এখানে তা বোঝায়নি। C) সকল বাচক — সমগ্রতা বা সকলকে বোঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয়, যেমন সবাই, সকলে, সব তাকে সকল বাচক সর্বনাম বলে কিন্তু এখানে তা নেই। D) সাপেক্ষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে যেমন এবং তেমন জোড়ায় বসে পরস্পর নির্ভরশীল সম্পর্ক তৈরি করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যের শুরুতে যদি জোড়া শব্দ যেমন যিনি-তিনি, যে-সে, যত-তত, যেমন-তেমন থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে সাপেক্ষ সর্বনাম হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাপেক্ষ সর্বনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই জোড়া শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0