a ষষ্ + থ
b ষট্ + থ
c ষত + ট
d ষষ্ + ত
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ষষ্ + থ ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী ট-বর্গীয় ধ্বনির আগের ষ-এর নিচে হসন্ত থাকলে এবং তার পরে থ থাকলে, সেই থ ধ্বনিটি পরিবর্তিত হয়ে ট-বর্গীয় রূপ লাভ করে। এখানে ষষ্ পদের সাথে থ যুক্ত হয়ে ষষ্ঠ শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে বলা হয়েছে যে দন্ত্য স কিংবা ত-বর্গীয় ধ্বনির আগে যদি মূর্ধন্য ষ বা ট-বর্গীয় ধ্বনি থাকে, তবে ত পরিবর্তিত হয়ে ট হয় এবং থ পরিবর্তিত হয়ে ঠ হয়। তবে কিছু নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে এই সাধারণ নিয়ম সরাসরি খাপ খায় না, যেখানে প্রকৃতির নিয়মে শব্দ গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ষষ্ + থ = ষষ্ঠ ব্যাখ্যা: এটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ, যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। উদাহরণ ২: উদ + চারণ = উচ্চারণ ব্যাখ্যা: এটি ব্যঞ্জনসন্ধির অপর একটি সাধারণ নিয়ম, যেখানে ত বা দ-এর পরে চ বা ছ থাকলে তা চ-এ পরিণত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষষ্ + থ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং নিয়ম অনুযায়ী ষষ্ঠ শব্দটি গঠন করে। B) ষট্ + থ — এই নিয়মে শব্দটি গঠিত হলে ঠ আসার কথা ছিল, কিন্তু এখানে থ রয়েছে। C) ষত + ট — এখানে প্রথম অংশে মূর্ধন্য ষ অনুপস্থিত এবং থ-এর পরিবর্তে ট ব্যবহার করা হয়েছে। D) ষষ্ + ত — এই নিয়মে যুক্ত হলে ত-এর স্থানে ট আসার কথা ছিল, যা এখানে ঘটেটি। ৫. মনে রাখার টিপস: ষষ্ঠ শব্দটি দেখলে মনে রাখবে যে এর মূল শব্দ হলো ষষ্ এবং এর সাথে থ যুক্ত হয়ে থ-টি অপরিবর্তিত থাকে বা বিশেষ নিয়মে সাধিত হয়। নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলোর ক্ষেত্রে নিয়ম অন্ধভাবে না চালিয়ে সরাসরি শব্দরূপ মুখস্থ রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই ধরনের নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধিগুলো বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় খুব বেশি আসে। সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শব্দের মূল রূপ ও প্রত্যয় বা বিভক্তির মতো অংশগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0