a পনেরো
b ষোলো
c সপ্তদশ
d অষ্টাদশ
0 18 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সপ্তদশ ১. কেন সঠিক: কবি আলাওল সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি। তিনি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রধান কবিদের একজন যিনি রাজসভার পৃষ্ঠপোষকতায় সাহিত্য রচনা করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি আলাওল সপ্তদশ শতাব্দীতে আরাকান রাজসভার শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তার বিখ্যাত মহাকাব্য পদ্মাবতী ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দের দিকে রচিত হয় যা হিন্দি ভাষার মালিক মুহম্মদ জায়সির পদুমাবত অবলম্বনে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামান ব্যাখ্যা: এটি কবি আলাওলের একটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যানমূলক কাব্য যা সপ্তদশ শতকে রচিত। উদাহরণ ২: সপ্তপয়সা ও হপ্ত পিয়কর ব্যাখ্যা: কবি আলাওলের ফার্সি কাব্য থেকে অনূদিত এই গ্রন্থগুলোও সপ্তদশ শতকের মধ্যযুগীয় সাহিত্যের নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পনেরো — পনেরো শতকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য এবং চণ্ডীদাস ও বিদ্যাপতির মতো পদকর্তারা আবির্ভূত হয়েছিলেন, আলাওল নন। B) ষোলো — ষোলো শতকে শ্রীচৈতন্যদেব ও তাঁর অনুসারী বৈষ্ণব পদকর্তারা সাহিত্য রচনা করেছিলেন, তাই এই অপশন ভুল। D) অষ্টাদশ — অষ্টাদশ শতকে ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর ও ময়ূরভট্টের মতো কবিরা খ্যাতি অর্জন করেছিলেন, আলাওল সপ্তদশ শতকের কবি। ৫. মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের কবি আলাওল মানেই সপ্তদশ শতক এবং আরাকান রাজসভা মনে রাখতে হবে। পদ্মাবতী কাব্যের রচয়িতা হিসেবে তার শতাব্দী নির্ধারণ করতে ১৬৪৮ সাল মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: আলাওল কত শতকের কবি এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে। মধ্যযুগের কবিদের শতক মনে রাখার জন্য তাদের বিখ্যাত গ্রন্থের রচনাকাল বা জন্মসাল খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0