a অহ + রহ
b অহঃ + অহ
c অহঃ + রহ
d অহ + অহ
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অহঃ + অহ ১. কেন সঠিক: - 'অহরহ' শব্দটি সন্ধির নিয়মে সাধিত হয়েছে এবং এটি বিসর্গ সন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। - এখানে বিসর্গের পূর্বে অ-কার এবং পরে অ-কার থাকার কারণে বিসর্গ ও পরবর্তী অ-কার মিলে ও-কার বা র-এর মতো পরিবর্তিত রূপ লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গ স্থানে র হয় এবং সেই র পরবর্তী অ-কারের সাথে যুক্ত হয়ে রেফ বা র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। - অহরহ শব্দের ক্ষেত্রে অহঃ যুক্ত অহ মিলে অহরহ গঠিত হয়েছে যেখানে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে র রূপ ধারণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহর্নিশ ব্যাখ্যা: এটি অহঃ যুক্ত নিশ মিলে গঠিত হয়েছে যেখানে বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গ র-এ রূপান্তরিত হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রাতরাশ ব্যাখ্যা: এটি প্রাতঃ যুক্ত আশ মিলে গঠিত হয়েছে এবং এখানে বিসর্গ সন্ধির নিয়ম নিখুঁতভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অহ + রহ — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ এখানে প্রথম অংশে কোনো বিসর্গ নেই এবং রহ কোনো মৌলিক শব্দ নয়। B) অহঃ + অহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিসর্গ সন্ধির সঠিক নিয়ম মেনে অহরহ শব্দ গঠন করে। C) অহঃ + রহ — এই অপশনটি ভুল কারণ দ্বিতীয় অংশ রহ ভুল এবং সঠিক শব্দ গঠনের জন্য অহ প্রয়োজন। D) অহ + অহ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গ বাদ দেওয়া হয়েছে যা সন্ধির সঠিক নিয়ম লঙ্ঘন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অহরহ শব্দটি ভাঙলে শেষের অংশটি অহ হয় এবং প্রথম অংশে বিসর্গ যুক্ত অহ বসে। - পরীক্ষার হলে বারবার আসা এই সন্ধিটি মনে রাখতে অহঃ যোগ অহ এই সূত্রটি মুখস্থ রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - একই নিয়মে গঠিত অন্যান্য শব্দ যেমন অহর্নিশ বা অন্তরাত্মা ভালোভাবে অনুশীলন করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0