a শূন্য পুরাণ
b সেক শুভোদয়া
c ধর্ম মঙ্গল
d প্রাকৃত পৈঙ্গল
0 19 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রাকৃত পৈঙ্গল ১. কেন সঠিক: অন্ধকার যুগ বা মধ্যযুগের সন্ধিকালীন সময়ের প্রথম ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে 'প্রাকৃত পৈঙ্গল' গ্রন্থটিকে গণ্য করা হয়। এই গ্রন্থে প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষায় রচিত পদের মাধ্যমে তৎকালীন সমাজজীবন ও ভাষার রূপ প্রতিফলিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে অন্ধকার যুগ বা অনুমানের যুগ বলা হয়। এই যুগে উল্লেখযোগ্য কোনো মৌলিক বাংলা সাহিত্য রচিত না হলেও কিছু পালি, প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার গ্রন্থ পাওয়া যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন এবং অন্ধকার যুগের প্রাক্কালে রচিত হয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি অন্ধকার যুগের ঠিক পরের সময় অর্থাৎ মধ্যযুগের প্রারম্ভিক যুগের নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শূন্য পুরাণ — রামাই পণ্ডিত রচিত এই গ্রন্থটি মধ্যযুগের ধর্মীয় আখ্যানের অন্তর্ভুক্ত এবং অন্ধকার যুগের প্রথম নিদর্শন নয়। B) সেক শুভোদয়া — বিজুহী রচিত এই চম্পূকাব্যটি মধ্যযুগের একটি ঐতিহাসিক ও লৌকিক কাহিনীর গ্রন্থ। C) ধর্ম মঙ্গল — ময়ূরভট্ট বা রূপরাম চক্রবর্তী রচিত মঙ্গলকাব্য ধারাটি মধ্যযুগের শেষভাগের সাহিত্যকর্ম। D) প্রাকৃত পৈঙ্গল — এটি অন্ধকার যুগের প্রথম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত প্রাকৃত ভাষার একটি বিখ্যাত সংকলন গ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: অন্ধকার যুগের প্রথম নিদর্শন মনে রাখতে প্রাকৃত পৈঙ্গল নামটির সাথে অন্ধকার শব্দটি যুক্ত করে চর্চা করতে পারো। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও অন্ধকার যুগের সন্ধিক্ষণ বুঝতে গ্রন্থগুলোর রচনার সময়কাল মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের সময়কাল হলো ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অন্ধকার যুগের নিদর্শন সংক্রান্ত প্রশ্নে প্রায়ই প্রাকৃত পৈঙ্গল এবং শূন্য পুরাণ অপশন হিসেবে থাকে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0