a ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
b রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
c মদনমোহন তর্কালঙ্কার
d নবীন চন্দ্র সেন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে আধুনিক যুগের প্রথম কবি বলা হলেও তিনি মূলত প্রাচীন ও মধ্যযুগের রীতিনীতির শেষ প্রতিনিধি ছিলেন। তার কবিতায় মধ্যযুগের কবিদের মতো শ্লেষ, অলংকার এবং ঈশ্বরচিন্তার প্রভাব দেখা যায়, যা তাকে পুরাতন রীতির শেষ কবি হিসেবে চিহ্নিত করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি এবং সাংবাদিক যিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা সম্পাদনা করতেন। তিনি প্রাচীন কবিদের জীবনী সংগ্রহ ও প্রকাশ করেছিলেন এবং তার কাব্যে আধুনিক চেতনার উন্মেষের পূর্বে পুরাতন ধারা লক্ষ্য করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা। ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮৩১ সালে এই সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ করেন যা পরবর্তীতে দৈনিক রূপ নেয় এবং সাহিত্যচর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়। উদাহরণ ২: কবিজীবনী রচনা। ব্যাখ্যা: তিনি রামপ্রসাদ সেন সহ প্রাচীন বাংলা কবিদের জীবনী ও কবিতা সংগ্রহ করে বাংলা সাহিত্যকে সংরক্ষণ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এটি সঠিক উত্তর। B) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি নবযুগের রোমান্টিক চেতনার কবি ছিলেন এবং তার পদ্মিনী উপাখ্যান একটি বিখ্যাত কাব্য। C) মদনমোহন তর্কালঙ্কার — তিনি আধুনিক যুগের শিশুপাঠ্য গ্রন্থ ও অনুবাদ সাহিত্যের জন্য পরিচিত, পুরাতন রীতির কবি নন। D) নবীন চন্দ্র সেন — তিনি আধুনিক যুগের মহাকাব্য রচয়িতা এবং পলাশীর যুদ্ধ তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক কাব্য। ৫. মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত হলেন সেই সেতুবন্ধন যিনি প্রাচীন ধারার শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে আধুনিক যুগের সূচনা করেছিলেন। যিনি সংবাদ প্রভাকর সম্পাদনা করতেন এবং পুরাতন রীতির শেষ কবি হিসেবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয় কারণ তার কবিতায় প্রাচীন ও আধুনিক উভয় যুগের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই যুগসন্ধিক্ষণের কবি বা প্রাচীন রীতির শেষ কবি সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0