a দ্বন্দ্ব সমাস
b প্রাদি সমাস
c নিত্য সমাস
d অলুক সমাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দ্বন্দ্ব সমাস ১. কেন সঠিক: যে সমাসে প্রতিটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে সাধারণত এবং, ও, কিম্বা ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। এখানে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থই সমানভাবে প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: দ্বন্দ্ব সমাসে দুটি পদের মিলন ঘটে এবং উভয় পদের স্বাধীন অর্থ বজায় থাকে। সমাসের নিয়মানুযায়ী এখানে কোনো পদ প্রধান বা গৌণ হয় না, বরং উভয় পদই প্রধান হিসেবে প্রতীয়মান হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতা ও পিতা = মাতাপিতা ব্যাখ্যা: এখানে মাতা এবং পিতা উভয় পদের অর্থই সমানভাবে বজায় রয়েছে। উদাহরণ ২: ভাই ও বোন = ভাইবোন ব্যাখ্যা: এখানে ভাই এবং বোন উভয় পদের অর্থই একত্রে প্রকাশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব সমাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে। B) প্রাদি সমাস — এই সমাসে প্র, পরা, প্রতি ইত্যাদি উপসর্গ পূর্বে বসে এবং ধাতুর অর্থে প্রাদুর্ভাব ঘটে, যেখানে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে না। C) নিত্য সমাস — যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না বা করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় এবং পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে না, তা নিত্য সমাস। D) অলুক সমাস — যে সমাসে সমাসবদ্ধ হওয়ার সময় পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক সমাস বলে, যা পদের অর্থের প্রাধান্যের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: দ্বন্দ্ব মানে জোড়া বা ঝগড়া, আর ঝগড়ায় দুজনই সমান শক্তিশালী হয়। তাই দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রাধান্য পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই দ্বন্দ্ব সমাসের চেনার উপায় জানতে চাওয়া হয়, যেখানে 'এবং', 'ও', 'ਕিম্বা' যুক্ত পদ দেখলে দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকার বিষয়টি দ্বন্দ্ব সমাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0