a কারক
b অনুসর্গ
c উপসর্গ
d সমাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপসর্গ ১. কেন সঠিক: - উপসর্গের নিজস্ব কোনো স্বাধীন অর্থ বা অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অন্য শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ তৈরি বা অর্থের উৎকর্ষ সাধন করার ক্ষমতা বা অর্থদ্যোতকতা আছে। - বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গকে বলা হয় শব্দাংশ, যা স্বাধীনভাবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এক ধরণের অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। - ডক্টর সুকুমার সেন এবং প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী উপসর্গের কাজ নতুন শব্দ তৈরি করা এবং মূল শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটানো। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র (প্র+হার = প্রহার) ব্যাখ্যা: এখানে প্র উপসর্গের স্বাধীন কোনো অর্থ নেই, কিন্তু হার শব্দের পূর্বে বসে আঘাত করা অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে। উদাহরণ ২: পরি (পরি+পূর্ণ = পরিপূর্ণ) ব্যাখ্যা: পরি উপসর্গটি পূর্ণ শব্দের আগে বসে সম্পূর্ণ বা গভীরভাবে বোঝাতে সাহায্য করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারক — বাক্যে ব্যবহৃত বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সম্পর্ককে কারক বলে, যার নিজস্ব অর্থবাচকতা রয়েছে। B) অনুসর্গ — অনুসর্গের নিজস্ব স্বাধীন অর্থ ও অর্থবাচকতা উভয়ই রয়েছে এবং এগুলো শব্দের পরে বসে। D) সমাস — সমাসের মাধ্যমে একাধিক পদ মিলে একপদ হয় এবং প্রতিটি পদের নিজস্ব অর্থবাচকতা থাকে। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপসর্গ মানেই হলো পরমুখাপেক্ষী শব্দাংশ, যার নিজের কোনো অর্থ নেই কিন্তু অন্যের অর্থ বদলে দেওয়ার জাদুকরী ক্ষমতা আছে। - মনে রাখবে, উপসর্গ নিজে একা বাঁচে না, অন্যের আগে বসে নতুন অর্থ ফোটায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - উপসর্গ সংখ্যা বাংলা ভাষায় একুশটি এবং তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি, যা ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0