a সমাচার দর্পণ
b দিগদর্শন
c সংবাদ কৌমুদী
d বেঙ্গল গেজেট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দিগদর্শন ১. কেন সঠিক: - শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত প্রথম মাসিক বা সাময়িকী হলো দিগদর্শন, যা ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। - এটি মূলত জ্ঞানগর্ভ ও শিক্ষণীয় তথ্যের সমাহার নিয়ে তরুণ শিক্ষার্থীদের উপযোগী করে প্রকাশিত হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শ্রীরামপুর মিশনের ব্যাপ্টিস্ট মিশনারি উইলিয়াম কেরি, মার্শম্যান ও ওয়ার্ড বাংলা মুদ্রণ ও সাময়িকী প্রকাশের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। - বাংলা সাংবাদিকতা ও সাময়িকপত্র প্রকাশের ইতিহাসে দিগদর্শন এবং সমাচার দর্পণ উভয়ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, যা ১৮১৮ সালের মে মাসে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বঙ্গদূত ব্যাখ্যা: এটি ১৮২৯ সালে প্রকাশিত একটি বহুভাষিক সাপ্তাহিক পত্রিকা, যার সঙ্গে রামমোহন রায় যুক্ত ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমাচার দর্পণ — এটি শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, প্রথম সাময়িকী নয়। B) দিগদর্শন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। সি) সংবাদ কৌমুদী — এটি রাজা রামমোহন রায়ের উদ্যোগে ১৮২১ সালে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা, শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত নয়। ডি) বেঙ্গল গেজেট — এটি জেমস অগাস্টাস হিকি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্র, বাংলা সাময়িকী নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাময়িকী বা মাসিক পত্রিকা এলেই মনে রাখবে দিগদর্শন, আর সাপ্তাহিক পত্রিকা এলেই মনে রাখবে সমাচার দর্পণ। - দুটিই শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত এবং ১৮১৮ সালের প্রকাশনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সংবাদপত্রের জন্মসাল ১৮১৮ এবং প্রথম পত্রিকা দিগদর্শন ও সমাচার দর্পণ সম্পর্কে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - সম্পাদকের নাম ও প্রকাশের সাল ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0