a মেথিলি
b নদীয়া
c ঢাকা
d কলকাতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নদীয়া ১. কেন সঠিক: - বাংলা চলিত রীতির ভিত্তি নদীয়া অঞ্চলের কথ্য ভাষাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। - প্রমথ চৌধুরী সবুজ পত্র পত্রিকার মাধ্যমে এই ভাষাকে সাহিত্যে প্রথম মর্যাদাপূর্ণ স্থান দেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিংশ শতাব্দীর শুরুতে সাধু ভাষার কৃত্রিমতা দূর করার জন্য চলিত ভাষার প্রচলন শুরু হয়। - নদীয়া অঞ্চলের শান্ত ও মার্জিত মুখের বুলি বাংলা চলিত রূপের আদর্শ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলিত ভাষার রূপ ব্যাখ্যা: চলিত ভাষায় করিয়াছি এর পরিবর্তে করেছি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: নদীয়া অঞ্চলের প্রভাব ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও প্রমথ চৌধুরী এই চলিত রীতিকে সাহিত্যে সার্থকভাবে প্রয়োগ করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেথিলি - এটি বিহার অঞ্চলের ভাষা, যা থেকে বিদ্যাপতি পদাবলী লিখেছেন কিন্তু বাংলা চলিত ভাষার ভিত্তি নয়। B) নদীয়া - এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাংলা চলিত ভাষার জন্মস্থান বা ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃত। C) ঢাকা - ঢাকা অঞ্চলের ভাষাকে কেন্দ্র করে বঙ্গীয় উপভাষা বা পূর্বাঞ্চলীয় রীতির বিকাশ ঘটেছে, চলিত ভাষার জন্ম নয়। D) কলকাতা - কলকাতা নগরকেন্দ্রিক ভাষা গড়ে উঠলেও চলিত ভাষার মূল ভিত্তি নদীয়া অঞ্চলের কথ্য ভাষা থেকেই এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - চলিত ভাষার জন্ম নদীয়া অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষাকে ভিত্তি করে হয়েছে। - প্রমথ চৌধুরীর সবুজ পত্র পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতি জনপ্রিয়তা পায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চলিত ভাষার ভিত্তি সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য এবং চলিত ভাষার প্রবক্তা সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0