a আবিষ্কার
b স্টেশন
c বিষণ্ণ
d পরিষ্কার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্টেশন ১. কেন সঠিক: বিদেশি শব্দে মূর্ধন্য 'ষ' ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই, তাই ইংরেজি বা অন্যান্য বিদেশি শব্দের বানানে সর্বদা দন্ত্য 'স' ব্যবহৃত হয়। স্টেশন একটি ইংরেজি শব্দ হওয়ার কারণে এর বানানে দন্ত্য 'স' যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি শব্দে (তদ্ভব বা তৎসম বাদে ইংরেজি, আরবি, ফারসি ইত্যাদি) সর্বদা দন্ত্য 'স' বসে। সংস্কৃত শব্দে ষত্ব-বিধানের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে মূর্ধন্য 'ষ' ব্যবহৃত হলেও বিদেশি উৎসের শব্দের ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্টুডিও ব্যাখ্যা: স্টুডিও একটি ইংরেজি শব্দ হওয়ায় এর শুরুতে দন্ত্য 'স' ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: মাস্টার ব্যাখ্যা: মাস্টার শব্দটি বিদেশি হওয়ার কারণে এর মাঝে দন্ত্য 'স' ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবিষ্কার — এটি তৎসম শব্দ এবং এখানে বিসর্গ সন্ধির নিয়মে মূর্ধন্য 'ষ' এসেছে, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। B) স্টেশন — এটি সঠিক উত্তর এবং বিদেশি শব্দ হওয়ায় এখানে দন্ত্য 'স' বসেছে। C) বিষণ্ণ — এটি তৎসম শব্দ এবং ষত্ব-বিধানের নিয়ম অনুসারে এখানে মূর্ধন্য 'ষ' ব্যবহৃত হয়েছে। D) পরিষ্কার — এটি তৎসম শব্দ এবং পরি উপসর্গের পর কৃ ধাতু যুক্ত হয়ে মূর্ধন্য 'ষ' গঠিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদেশি শব্দ মানেই দন্ত্য 'স' এই সহজ সূত্রটি মনে রাখলে স্টেশন, স্টেম, স্কাউট ইত্যাদি বানান সহজেই নির্ণয় করা যায়। ইংরেজি বা বিদেশি উচ্চারণের যেকোনো শব্দের বানান লেখার সময় মূর্ধন্য 'ষ' ব্যবহার না করে সর্বদা দন্ত্য 'স' ব্যবহার করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের বানান শুদ্ধ করার ক্ষেত্রে এই নিয়মটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো শব্দ তৎসম নাকি বিদেশি তা চিহ্নিত করতে পারলে খুব সহজেই দন্ত্য 'স' ও মূর্ধন্য 'ষ এর ব্যবহার নির্ধারণ করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0