a সক্রিয় দর্শক
b কর্তব্যবিমুখ
c কর্তব্যপরায়ন
d নিষ্ক্রিয় দর্শক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিষ্ক্রিয় দর্শক ১. কেন সঠিক: - 'সাক্ষী গোপাল' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা যার আভিধানিক ও ভাবগত অর্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোনো ঘটনায় উপস্থিত থাকেন কিন্তু কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করেন না বা কোনো মতামত দেন না। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এমন বাগধারা আসে যার রূপক অর্থ সাধারণ অর্থের চেয়ে আলাদা হয় এবং এখানে গোপাল বলতে উপস্থিতি ছাড়া নিষ্ক্রিয় থাকাকে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে থাকে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বহু বাগধারা পৌরাণিক, ঐতিহাসিক কিংবা সামাজিক প্রেক্ষাপট থেকে এসেছে যা ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভায় অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন কিন্তু কেউ কোনো প্রতিবাদ করলেন না, সবাই যেন সাক্ষী গোপাল হয়ে বসে রইলেন। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে উপস্থিত থেকেও কোনো ভূমিকা না রাখার অর্থ প্রকাশ করতে 'সাক্ষী গোপাল' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: কমিটি বড় বড় সিদ্ধান্ত নিলেও সাধারণ সদস্যরা সেখানে শুধু সাক্ষী গোপাল ছাড়া আর কিছুই ছিলেন না। ব্যাখ্যা: এখানেও কোনো ক্ষমতার অধিকার না থেকে কেবল দর্শকের ভূমিকায় থাকার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সক্রিয় দর্শক — সক্রিয় দর্শক অর্থ এমন দর্শক যিনি কোনো ঘটনায় সরাসরি অংশগ্রহণ করেন বা মতামত দেন, যা সাক্ষী গোপালের ঠিক বিপরীত। B) কর্তব্যবিমুখ — কর্তব্যবিমুখ অর্থ যিনি নিজের নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করতে চান না বা এড়িয়ে চলেন, অথচ সাক্ষী গোপাল শব্দের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই। C) কর্তব্যপরায়ন — কর্তব্যপরায়ন অর্থ অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি, যা নিষ্ক্রিয়তার সম্পূর্ণ উল্টো একটি ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য। D) নিষ্ক্রিয় দর্শক — সঠিক উত্তর কারণ এটি সাক্ষী গোপাল বাগধারার আসল ভাবার্থ বা রূপক অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাক্ষী মানে উপস্থিত থাকা এবং গোপাল মানে নিষ্ক্রিয় মূর্তি, তাই এই দুই শব্দ মিলে এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি শুধু উপস্থিত থাকেন কিন্তু কোনো কাজ করেন না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রূপক অর্থভিত্তিক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে, তাই আভিধানিক অর্থের চেয়ে ভাবগত অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0