a সম্প্রদান কারক
b কর্ম কারক
c অধিকরণ কারক
d অপাদান কারক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অপাদান কারক ১. কেন সঠিক: যিছু কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, বিরত, দূরীভূত, রক্ষিত ও ভীত হয় কিংবা যা থেকে কিছু উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে ঝিনুক থেকে মুক্তা উৎপন্ন বা জাত হচ্ছে, তাই ঝিনুক পদটি অপাদান কারক এবং এতে পঞ্চমী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে কার বা কোথা থেকে এই প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা অপাদান কারক। উৎপত্তি, চ্যুতি, বিচ্যুতি, জাত, ভীতি এবং রক্ষিত অর্থে বিশেষ্য পদে অপাদান কারক হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হচ্ছে, তাই গাছ অপাদান কারক। উদাহরণ ২: নদী থেকে মাছ ধরে। ব্যাখ্যা: নদী থেকে মাছ সংগ্রহ করা হচ্ছে, তাই নদী অপাদান কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্প্রদান কারক — যাকে সত্য ত্যাগ করে কিছু দান বা সাহায্য করা হয়, তাকে সম্প্রদান কারক বলে। মুক্তা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো কিছু দান করা বোঝাচ্ছে না। B) কর্ম কারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্ম কারক বলে। ঝিনুক কোনো আশ্রয় বা কর্ম নয়, উৎস। C) অধিকরণ কারক — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে। ঝিনুক কোনো স্থান বা সময় নির্দেশ করছে না। D) অপাদান কারক — এই অপশনটি সঠিক কারণ ঝিনুক থেকে মুক্তা জাত বা উৎপন্ন হচ্ছে। ৫. মনে রাখার টিপস: কোথা থেকে উৎপন্ন, বিচ্যুত, জাত, ভীত বা রক্ষিত বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে। উৎস বা উৎপত্তির উৎস সবসময় অপাদান কারক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গাছ থেকে পাতা পড়ে এবং ঝিনুক থেকে মুক্তা মেলে বাক্যে উৎস বা বিচ্যুতি বোঝানো হয়েছে। একই নিয়মে জমি থেকে ফসল পায়, বাক্যটিও অপাদান কারকের উদাহরণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0