a ধস, ভুল, সাক্ষর, শ্রদ্ধাঞ্জলি।
b ধ্স, ভুল, স্বাক্ষর, শ্রদ্ধাঞ্জলি।
c ধস, ভুল, স্বাক্ষর, শ্রদ্ধাঞ্জলি।
d ধ্বস, ভুল, স্বাক্ষর, শ্রদ্ধাঞ্জলি।
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধস, ভুল, স্বাক্ষর, শ্রদ্ধাঞ্জলি। ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দগুলোর প্রতিটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। - এই শব্দগুচ্ছের কোনোটিতেই মাত্রা, ফলা বা কার ব্যবহারে কোনো বানানগত ত্রুটি নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে কিছু শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য ষ বা দন্ত স ব্যবহৃত হয় এবং অনুস্বর বা চন্দ্রবিন্দুর সঠিক ব্যবহার জানতে হয়। - শ্রদ্ধাঞ্জলি শব্দটিতে অঞ্জলি প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কারণে শেষের ই-কার হ্রস্ব ই অর্থাৎ ই-কার হয়, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণিক নিয়ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরীক্ষা ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম শব্দ যার বানান সবসময় সঠিক রাখতে হয়। উদাহরণ ২: মণীষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে মূর্ধন্য ষ এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়, যা শুদ্ধ বানান হিসেবে গণ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধস, ভুল, সাক্ষর, শ্রদ্ধাঞ্জলি। — সাক্ষর শব্দের অর্থ স্বাক্ষরকারী বা অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন, কিন্তু এখানে প্রেক্ষাপট অনুযায়ী স্বাক্ষর বোঝাতে স-যুক্ত অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে তাই এটি ভুল। B) ধ্স, ভুল, স্বাক্ষর, শ্রদ্ধাঞ্জলি। — ধ্স শব্দটি ভুল কারণ ধ এর নিচে হসন্ত বা ফলার কোনো নিয়ম নেই, সঠিক রূপ ধস। D) ধ্বস, ভুল, স্বাক্ষর, শ্রদ্ধাঞ্জলি। — ধ্বস শব্দটি ভুল কারণ প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী ধস শব্দে ধ-এর সাথে ব-ফলা যুক্ত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - অঞ্জলি যুক্ত সব শব্দে যেমন শ্রদ্ধাঞ্জলি, গীতাঞ্জলি হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করতে হয়। - স্বাক্ষর মানে দস্তখত এবং সাক্ষর মানে অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি, এই পার্থক্য মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শ্রদ্ধাঞ্জলি ও অঞ্জলি সম্পর্কিত বানান প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের বানান চর্চা করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0