a প্যাঁচানো
b জটিল
c কুটিল বুদ্ধি
d কলহপ্রিয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুটিল বুদ্ধি ১. কেন সঠিক: - জিলাপির প্যাঁচ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ জিলাপির মতো জট পাকানো আকৃতি হলেও রূপক অর্থে এর দ্বারা মানুষের মনের জটিলতা ও কুটিল বুদ্ধিকে বোঝানো হয়। - প্রাত্যহিক জীবনের অভিজ্ঞতায় জিলাপির গোলকধাঁধাঁ যেভাবে সহজে বোঝা যায় না, তেমনি কোনো কুটিল মানুষের চালচলন বা মতলবও সহজে ধরা যায় না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবকে আকর্ষণীয় করে তোলে এবং এর উৎপত্তি সাধারণত লোকসংস্কৃতি ও প্রাত্যহিক জীবন থেকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার কথা ও কাজের ধরন দেখে বুঝলাম ভেতরে ভেতরে সে জিলাপির প্যাঁচ কষছে। ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের মনের গভীমের কুটিল ও ষড়যন্ত্রমূলক মনোভাব প্রকাশ করতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সহজ সরল মানুষটিকে তোমরা জিলাপির প্যাঁচে ফেলে হয়রান কোরো না। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কাউকে জটিল বা কুটিল বুদ্ধির জালে জড়ানো বোঝাতে এই বাগধারার সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যাঁচানো — এটি জিলাপির আক্ষরিক আকৃতি বোঝালেও বাগধারার রূপক বা অন্তর্নিহিত ভাবার্থ প্রকাশ করে না। B) জটিল — শব্দটি সাধারণ অর্থে কঠিন বা দুর্বোধ্য বোঝায়, কিন্তু মানুষের মনের বিশেষ কুটিল বুদ্ধির ভাবটি এতে পুরোপুরি প্রকাশ পায় না। D) কলহপ্রিয় — এই শব্দের অর্থ ঝগড়া করতে ভালোবাসে যে, যা জিলাপির প্যাঁচ বাগধারার কুটিল বুদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - জিলাপির প্যাঁচ মানেই জট পাকানো কিছু, আর মানুষের বুদ্ধি জট পাকিয়ে গেলে তাকে কুটিল বুদ্ধি বলা হয়। - জিলাপির মিষ্টি পেঁচালো রূপের আড়ালে যেমন প্যাঁচ থাকে, তেমনি মানুষের মিষ্টি কথার আড়ালে কুটিল বুদ্ধি লুকিয়ে থাকতে পারে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার আক্ষরিক অর্থ দাগানো থেকে সতর্ক থাকতে হবে কারণ সবসময় রূপক বা অন্তর্নিহিত অর্থই সঠিক হয়। - একই রকম মানসিকতা বোঝাতে কান কাটা, ইঁদুর কপালে কিংবা অহি নকুল সম্পর্কের মতো অন্যান্য বাগধারাগুলোর অর্থও ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0