প্রশ্নের বর্ণনা

a পরাধীন মানুষ
b ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিবিমুখ মানুষ
c যে কাজ করে
d যে কথা বলতে পারে না
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিবিমুখ মানুষ ১. কেন সঠিক: - এই পঙক্তিটিতে 'ক্রীতদাস' শব্দটিকে আক্ষরিক অর্থে পরাধীন বা দাস হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি, বরং রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। - যে মানুষ তার শেকড়, সাহিত্য, ইতিহাস এবং সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত নয় বা তা ধারণ করে না, তাকেই এখানে সাংস্কৃতিক দিক থেকে দেউলিয়া বা ক্রীতদাস বলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই বিখ্যাত পঙক্তিটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি নির্মলেন্দু গুণের লেখা 'হুলিয়া' বা সমসাময়িক চেতনা সংশ্লিষ্ট কবিতাসমগ্র থেকে উদ্ভূত একটি দার্শনিক উপলব্ধির প্রকাশ। - কবি এখানে কবিতার আবেদন এবং শিল্প-সাহিত্যের চেতনা মানবমনের স্বাধীনতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে উল্লেখ করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যে জাতি তার ইতিহাস ভুলে যায় সে জাতি মৃত। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ইতিহাসের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হওয়াকে মৃত্যুর সমতুল্য বলা হয়েছে, যা আলোচ্য প্রশ্নের মূল ভাবের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। উদাহরণ ২: শিকড়হীন মানুষ নদীর স্রোতের খড়কুটোর মতো ভেসে যায়। ব্যাখ্যা: ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ভিত্তি না থাকলে মানুষের আত্মিক পতন ঘটে, যা এই উদাহরণের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পরাধীন মানুষ — এটি ক্রীতদাসের আক্ষরিক অর্থ হলেও কবিতায় রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। B) ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিবিমুখ মানুষ — এটি প্রশ্নের উদ্দিষ্ট সঠিক রূপক অর্থ প্রকাশ করে। C) যে কাজ করে — এটি শ্রমজীবী মানুষের সাধারণ অর্থ, যা কবিতার মূল ধারণার সঙ্গে মেলে না। D) যে কথা বলতে পারে না — এটি বোবা বা বাকশক্তিহীন মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা এখানে বোঝানো হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - কবিতা বা শিল্পকলা শুনতে না পারা মানে সংস্কৃতির প্রতি উদাসীন থাকা। - সাংস্কৃতিক উদাসীনতা মানুষকে মানসিকভাবে পরাধীন বা ক্রীতদাসে পরিণত করে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূপকধর্মী পঙক্তির অন্তর্নিহিত অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে কবির উদ্দীপ্ত ভাবার্থ বুঝতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0