প্রশ্নের বর্ণনা

a বিজলী
b লাঙ্গল
c ধূমকেতু
d অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিজলী ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা। - এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় পন্দহে পৌষ ১৩২৮ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত বিজলী পত্রিকায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত প্রথম ও অন্যতম প্রধান কবিতা। - এই কবিতাটি প্রকাশের পর বাংলা সাহিত্যজগতে এক বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং কবিকে রাতারাতি খ্যাতি এনে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা প্রলয়োল্লাস। ব্যাখ্যা: অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের সূচনা হয় বিদ্রোহী এবং প্রলয়োল্লাস কবিতার মাধ্যমে যা প্রকাশের পর ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে প্রেরণা জুগিয়েছিল। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের ধুমকেতু পত্রিকা। ব্যাখ্যা: ধূমকেতু একটি অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা যার প্রধান পরিচালক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম এবং এই পত্রিকায় আনন্দময়ীর আগমনে কবিতা প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজলী — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিদ্রোহী কবিতাটি প্রথম এই পত্রিকাতেই প্রকাশিত হয়েছিল। B) লাঙ্গল — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি রাজনৈতিক ও সাহিত্য বিষয়ক সাপ্তাহিক পত্রিকা। C) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের নিজের সম্পাদিত পত্রিকা হলেও বিদ্রোহী কবিতা এখানে প্রথম প্রকাশিত হয়নি। D) অগ্নিবীণা — এটি বিদ্রোহী কবিতার প্রথম প্রকাশিত পত্রিকা নয়, এটি হলো সেই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যার প্রথম কবিতা হলো বিদ্রোহী। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্রোহী কবিতার প্রকাশকাল মনে রাখার কৌশল হলো বিজলী পত্রিকার আলোর মতো এই কবিতাটিও প্রথম আলো ছড়িয়েছিল। - এভাবে পত্রিকার নাম মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদ্রোহী কবিতার প্রথম প্রকাশ এবং কাব্যগ্রন্থের নাম খুব প্রায়ই আসে। - অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা কোনটি এবং এটি কোন সালে প্রকাশিত হয়, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0