প্রশ্নের বর্ণনা

a বিড়াল
b কমলাকান্ত
c ন্যায়ায়িক
d নেপোলিয়ন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিড়াল ১. কেন সঠিক: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বিড়াল' রচনায় বিড়াল চরিত্রের মাধ্যমেই মূলত সমাজের দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার এবং সাম্যের কথা তুলে ধরা হয়েছে। - এই রচনায় বিড়াল তার চুরির পক্ষে যে যুক্তি দেয়, তা আসলে সমাজের উচ্চবিত্তের দ্বিমুখী নীতি ও দরিদ্রের শোষণের বিরুদ্ধে এক তীব্র ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত। - 'বিড়াল' প্রবন্ধটি তাঁর বিখ্যাত 'কমলাকান্তের দপ্তর' গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রখ্যাত রচনা, যেখানে সমাজ সংস্কারের বাণী রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কমলাকান্তের দপ্তর ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত হাস্যরসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ সংকলন যার মধ্যে 'বিড়াল' অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিড়াল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই চরিত্রের মাধ্যমে দরিদ্রের অধিকার ও সাম্যের কথা বলা হয়েছে। B) কমলাকান্ত — এটি লেখকের ছদ্মবেশী চরিত্র, যিনি বিড়ালের সাথে তর্কে লিপ্ত হন কিন্তু সরাসরি সাম্যের মূল বক্তা বিড়াল নিজে। C) ন্যায়ায়িক — এই অপশনটি রচনার মূল বিষয়ের সাথে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় কারণ এটি কোনো প্রধান চরিত্র নয়। D) নেপোলিয়ন — এটি ফরাসি সম্রাট, যার সাথে এই প্রবন্ধের প্রতিপাদ্যের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের 'বিড়াল' প্রবন্ধ মানেই দরিদ্রের অধিকার, তাই বিড়াল চরিত্রটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। - কমলাকান্তের দপ্তর গ্রন্থের অন্যান্য প্রবন্ধের সাথে এটি গুলিয়ে ফেলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিড়াল প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বঙ্কিমচন্দ্রের প্রবন্ধগুলোর মূল সুর এবং চরিত্রের তাৎপর্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0